ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ: বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের বিশ্বকাপ অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল

ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় ইতোমধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। এবার সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক বিতর্কিত পদক্ষেপ নিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

আইসিসি জানিয়েছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে যে সব সাংবাদিক অ্যাক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের সবার আবেদনই বাতিল করা হয়েছে। ফলে এবারের বিশ্বকাপ কাভার করতে বাংলাদেশ থেকে কোনো সাংবাদিকই মাঠে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ ছিল মুম্বাইয়ে। এই সূচিকে সামনে রেখে এবং আইসিসির নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমার মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ক্রীড়া সাংবাদিকরা অ্যাক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করেন। বাংলাদেশ দল শেষ পর্যন্ত অংশ নিক বা না নিক—বিশ্বকাপ কাভার করার প্রস্তুতি হিসেবে অনেক সাংবাদিকই ভারত ও শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিশ্বকাপ কাভারেজে সাংবাদিকদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর থেকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি- প্রতিটি বিশ্বকাপেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিক মাঠে থেকে টুর্নামেন্ট কাভার করেছেন। এমনকি ১৯৯৯ সালের আগেও, যখন বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলত না, তখনও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্বকাপ আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা ছিল দেশের সাংবাদিকদের।

ক্রিকেটপ্রেমী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিশ্বকাপ নিয়ে আগ্রহ বরাবরই ব্যাপক। সে কারণেই প্রায় প্রতিটি মিডিয়া হাউস বিশ্বকাপ কাভারের জন্য সাংবাদিক পাঠিয়ে থাকে। আইসিসির এই সিদ্ধান্ত সেই দীর্ঘদিনের ধারাকেই হঠাৎ করে ভেঙে দিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা। তারা একে পেশাগত স্বাধীনতা ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকারের পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের ক্রীড়া অঙ্গন ও সংশ্লিষ্ট সব মহলকে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

 

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ: বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের বিশ্বকাপ অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল

আপডেট সময় ১১:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় ইতোমধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। এবার সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক বিতর্কিত পদক্ষেপ নিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

আইসিসি জানিয়েছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে যে সব সাংবাদিক অ্যাক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের সবার আবেদনই বাতিল করা হয়েছে। ফলে এবারের বিশ্বকাপ কাভার করতে বাংলাদেশ থেকে কোনো সাংবাদিকই মাঠে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ ছিল মুম্বাইয়ে। এই সূচিকে সামনে রেখে এবং আইসিসির নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমার মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ক্রীড়া সাংবাদিকরা অ্যাক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করেন। বাংলাদেশ দল শেষ পর্যন্ত অংশ নিক বা না নিক—বিশ্বকাপ কাভার করার প্রস্তুতি হিসেবে অনেক সাংবাদিকই ভারত ও শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিশ্বকাপ কাভারেজে সাংবাদিকদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর থেকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি- প্রতিটি বিশ্বকাপেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিক মাঠে থেকে টুর্নামেন্ট কাভার করেছেন। এমনকি ১৯৯৯ সালের আগেও, যখন বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলত না, তখনও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্বকাপ আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা ছিল দেশের সাংবাদিকদের।

ক্রিকেটপ্রেমী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিশ্বকাপ নিয়ে আগ্রহ বরাবরই ব্যাপক। সে কারণেই প্রায় প্রতিটি মিডিয়া হাউস বিশ্বকাপ কাভারের জন্য সাংবাদিক পাঠিয়ে থাকে। আইসিসির এই সিদ্ধান্ত সেই দীর্ঘদিনের ধারাকেই হঠাৎ করে ভেঙে দিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা। তারা একে পেশাগত স্বাধীনতা ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকারের পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের ক্রীড়া অঙ্গন ও সংশ্লিষ্ট সব মহলকে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

 

নতুন কথা/এসআর