ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, এ মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা পাল্টা জবাব উপস্থাপন করেন। যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন ধার্য না করে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা। আসামিপক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসান ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা অংশ নেন।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক ২৫ জানুয়ারি শেষ হয়। তিন কার্যদিবসে মামলার ঘটনাপ্রবাহ, আলামত ও সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওতে আসামিদের উপস্থিতি ও ভূমিকা চিহ্নিত করে দেখান প্রসিকিউটররা। সবশেষে ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানানো হয়।

আসামিপক্ষে আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বেকসুর খালাসের আবেদন করেন।

এদিকে মঙ্গলবার সকালে এ মামলার ছয় আসামিকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন— এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল-২। তার আগে ৩০ জুন অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় এবং ২৪ জুন তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। পলাতক আসামিদের পক্ষে গত ২২ জুলাই চারজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

 

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন

আপডেট সময় ০৫:০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, এ মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা পাল্টা জবাব উপস্থাপন করেন। যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন ধার্য না করে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা। আসামিপক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসান ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা অংশ নেন।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক ২৫ জানুয়ারি শেষ হয়। তিন কার্যদিবসে মামলার ঘটনাপ্রবাহ, আলামত ও সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওতে আসামিদের উপস্থিতি ও ভূমিকা চিহ্নিত করে দেখান প্রসিকিউটররা। সবশেষে ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানানো হয়।

আসামিপক্ষে আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বেকসুর খালাসের আবেদন করেন।

এদিকে মঙ্গলবার সকালে এ মামলার ছয় আসামিকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন— এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল-২। তার আগে ৩০ জুন অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় এবং ২৪ জুন তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। পলাতক আসামিদের পক্ষে গত ২২ জুলাই চারজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

 

নতুন কথা/এসআর