ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা ইইউর প্রধান পর্যবেক্ষকের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক এবং আসন্ন নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে। গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ইইউর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউর প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতিও সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে ইভার্স ইজাবস বলেন, নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এটি একটি যৌক্তিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিকভাবে নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইভার্স ইজাবস আরও জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত না হওয়া বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। ওই প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা ইইউর প্রধান পর্যবেক্ষকের

আপডেট সময় ১১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক এবং আসন্ন নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে। গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ইইউর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউর প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতিও সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে ইভার্স ইজাবস বলেন, নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এটি একটি যৌক্তিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিকভাবে নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইভার্স ইজাবস আরও জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত না হওয়া বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। ওই প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নতুন কথা/এসআর