ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার: সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা : সালাহউদ্দিন আহমদ সবোজলাইয়ের নায়ক-খলনায়ক রাতেও বার্নসলিকে উড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে লিভারপুল জীবনদর্শনের দূরত্বেই ফাটল: যে কারণে টেকেনি তাহসান-রোজার সংসার শিক্ষা শুধু চাকরির কারখানা নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার পথ: প্রধান উপদেষ্টা
নির্মাণ হবে ‘গণমিনার’

ভেঙে ফেলা হলো ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’

মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ

রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ২৭জুন শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে এই ভাঙার কাজ শুরু হয়। সেখানে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘মৃত্যুঞ্জয়’ আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল, এবার ভাঙা হলো বাঙালির বিভিন্ন সংগ্রামী অধ্যায়ের সাতটি ম্যুরালসহ দেয়াল।

 

১০ নভেম্বর ২০২৩, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই চত্বরটির উদ্বোধন করেছিলেন। ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ছিল একটি প্রতীকী স্থাপনা, যেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ নানা ঐতিহাসিক মুহূর্তের চিত্রায়ণ।

 

ডিএনসিসি জানিয়েছে, ওই স্থানে নির্মাণ করা হবে একটি নতুন স্মারক গণমিনার। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহিদদের স্মরণে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসির সপ্তম কর্পোরেশন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

‘গণমিনার বাস্তবায়ন কমিটি’র সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খোরশেদ আলম বলেন,আমাদের পরিকল্পনায় পুরো বিজয় সরণিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়ন হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে এই গণমিনার নির্মাণের কাজ ৫ আগস্টের মধ্যেই দৃশ্যমান রূপ পাবে।

 

কমিটির আরেক সদস্য, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন,২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণপ্রতিরোধ ও গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হয়েছেন ১,৪০০ জন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের স্মরণেই এই স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ।

 

এ বিষয়ে ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন বলেন, আমরা একটি কনসেপ্ট তৈরি করেছি। আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা জানানো হবে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি শুধুই স্থাপনা পরিবর্তন নয়, বরং ইতিহাস ও স্মৃতি রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ। ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ভেঙে ফেলে ‘গণমিনার’ নির্মাণ বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন।

ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার

নির্মাণ হবে ‘গণমিনার’

ভেঙে ফেলা হলো ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’

আপডেট সময় ০২:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ২৭জুন শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে এই ভাঙার কাজ শুরু হয়। সেখানে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘মৃত্যুঞ্জয়’ আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল, এবার ভাঙা হলো বাঙালির বিভিন্ন সংগ্রামী অধ্যায়ের সাতটি ম্যুরালসহ দেয়াল।

 

১০ নভেম্বর ২০২৩, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই চত্বরটির উদ্বোধন করেছিলেন। ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ছিল একটি প্রতীকী স্থাপনা, যেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ নানা ঐতিহাসিক মুহূর্তের চিত্রায়ণ।

 

ডিএনসিসি জানিয়েছে, ওই স্থানে নির্মাণ করা হবে একটি নতুন স্মারক গণমিনার। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহিদদের স্মরণে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসির সপ্তম কর্পোরেশন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

‘গণমিনার বাস্তবায়ন কমিটি’র সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খোরশেদ আলম বলেন,আমাদের পরিকল্পনায় পুরো বিজয় সরণিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়ন হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে এই গণমিনার নির্মাণের কাজ ৫ আগস্টের মধ্যেই দৃশ্যমান রূপ পাবে।

 

কমিটির আরেক সদস্য, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন,২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণপ্রতিরোধ ও গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হয়েছেন ১,৪০০ জন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের স্মরণেই এই স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ।

 

এ বিষয়ে ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন বলেন, আমরা একটি কনসেপ্ট তৈরি করেছি। আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা জানানো হবে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি শুধুই স্থাপনা পরিবর্তন নয়, বরং ইতিহাস ও স্মৃতি রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ। ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ভেঙে ফেলে ‘গণমিনার’ নির্মাণ বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন।