ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জে জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি’র পতাকা

গোপালগঞ্জে উত্তেজিত জনগণকে দমন করার নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্বিচার গুলিবর্ষণ ও সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে।

 

১৬ জুলাই প্রকাশিত বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টি বলেছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় সুবিধা ব্যবহার করে গোপালগঞ্জে উসকানিমূলক কর্মসূচি পালন করে, যা স্থানীয় জনগণের ক্ষোভের সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কটূক্তিমূলক বক্তব্যে গোপালগঞ্জবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

 

দলটি আরও জানায়, প্রশাসন আগাম তথ্য থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়নি এবং একটি দলের স্বার্থরক্ষা করতে গিয়ে জনতার আবেগ বুঝতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

 

বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, এই ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচনপূর্ব উত্তেজনা তৈরি করে রাজনৈতিক অস্থিরতা জিইয়ে রাখার চেষ্টা থাকতে পারে, যা জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গোপালগঞ্জের ঘটনাটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দেশে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিরোধী কণ্ঠ রোধের ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ।

 

তারা বলেন, ‘আমরা চাই না আর কোনো মায়ের কোল খালি হোক, কোনো পরিবার আর রক্তমাখা নিথর দেহ ঘরে নিয়ে ফিরে যাক। রাষ্ট্র যদি জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেটি তার নৈতিক বৈধতাও হারায়।’

 

ওয়ার্কার্স পার্টি দ্রুত বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানায়, যাতে প্রকৃত অপরাধীরা চিহ্নিত ও শাস্তির আওতায় আসে। একই সঙ্গে তারা আহত ও নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের আহ্বান জানায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

গোপালগঞ্জে জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি

আপডেট সময় ০৫:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে উত্তেজিত জনগণকে দমন করার নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্বিচার গুলিবর্ষণ ও সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে।

 

১৬ জুলাই প্রকাশিত বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টি বলেছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় সুবিধা ব্যবহার করে গোপালগঞ্জে উসকানিমূলক কর্মসূচি পালন করে, যা স্থানীয় জনগণের ক্ষোভের সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কটূক্তিমূলক বক্তব্যে গোপালগঞ্জবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

 

দলটি আরও জানায়, প্রশাসন আগাম তথ্য থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়নি এবং একটি দলের স্বার্থরক্ষা করতে গিয়ে জনতার আবেগ বুঝতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

 

বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, এই ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচনপূর্ব উত্তেজনা তৈরি করে রাজনৈতিক অস্থিরতা জিইয়ে রাখার চেষ্টা থাকতে পারে, যা জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গোপালগঞ্জের ঘটনাটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দেশে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিরোধী কণ্ঠ রোধের ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ।

 

তারা বলেন, ‘আমরা চাই না আর কোনো মায়ের কোল খালি হোক, কোনো পরিবার আর রক্তমাখা নিথর দেহ ঘরে নিয়ে ফিরে যাক। রাষ্ট্র যদি জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেটি তার নৈতিক বৈধতাও হারায়।’

 

ওয়ার্কার্স পার্টি দ্রুত বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানায়, যাতে প্রকৃত অপরাধীরা চিহ্নিত ও শাস্তির আওতায় আসে। একই সঙ্গে তারা আহত ও নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের আহ্বান জানায়।