ইরানের বিরুদ্ধে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) দাবি করেছে, ইরান সামরিক লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি বেসামরিক এলাকাতেও এসব নিষিদ্ধ অস্ত্র ব্যবহার করছে।
শুক্রবার এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ইরান একাধিকবার ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে, যা ইসরায়েলের সামরিক ও বেসামরিক উভয় এলাকায় আঘাত হেনেছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক এলাকায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ উল্লেখ করে তিনি এটিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দেন।
নাদাভ শোশানি বলেন, “ইরান ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করছে এবং ইসরায়েলের সামরিক-বেসামরিক এলাকায় এ পর্যন্ত কয়েকবার এসব বোমা নিক্ষেপ করেছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে বেসামরিক এলাকায় ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার নিষিদ্ধ। আমরা পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।”
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চললেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।
এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসরায়েলও ইরানে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে।
এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। চলমান এই সংঘাতকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।
নতুন কথা/এসআর
নিজস্ব সংবাদ : 



















