ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার: সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা : সালাহউদ্দিন আহমদ সবোজলাইয়ের নায়ক-খলনায়ক রাতেও বার্নসলিকে উড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে লিভারপুল জীবনদর্শনের দূরত্বেই ফাটল: যে কারণে টেকেনি তাহসান-রোজার সংসার শিক্ষা শুধু চাকরির কারখানা নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার পথ: প্রধান উপদেষ্টা

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন প্রসিকিউশনের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মধ্য দিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বিচারিক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পাঠ করে শোনান। তিনি বলেন, এসব অভিযোগে মোট ১০৩ জনকে গুম ও হত্যার বিস্তারিত ও ভয়াবহ বর্ণনা রয়েছে। অভিযোগের পক্ষে ভিডিও প্রমাণও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। শুনানি শেষে মামলার একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করার আবেদন জানানো হয়। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জিয়াউল আহসানের বোন ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। তিনি প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ভিডিও প্রমাণ পর্যালোচনার জন্য তা সরবরাহের আবেদন জানান। প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে দাখিলের পর ভিডিওগুলো সরবরাহ করা হবে বলে জানায়। এ প্রেক্ষিতে সব নথি ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামির অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান নাজনীন নাহার। এ বিষয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। দুপুরের পর মামলার শুনানি শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরও আগে, ১৭ ডিসেম্বর আদালত তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়। একই দিন প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।

উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান সর্বশেষ ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

নতুন কথা/এসআর

 

ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন প্রসিকিউশনের

আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মধ্য দিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বিচারিক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পাঠ করে শোনান। তিনি বলেন, এসব অভিযোগে মোট ১০৩ জনকে গুম ও হত্যার বিস্তারিত ও ভয়াবহ বর্ণনা রয়েছে। অভিযোগের পক্ষে ভিডিও প্রমাণও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। শুনানি শেষে মামলার একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করার আবেদন জানানো হয়। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জিয়াউল আহসানের বোন ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। তিনি প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ভিডিও প্রমাণ পর্যালোচনার জন্য তা সরবরাহের আবেদন জানান। প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে দাখিলের পর ভিডিওগুলো সরবরাহ করা হবে বলে জানায়। এ প্রেক্ষিতে সব নথি ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামির অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান নাজনীন নাহার। এ বিষয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। দুপুরের পর মামলার শুনানি শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরও আগে, ১৭ ডিসেম্বর আদালত তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়। একই দিন প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।

উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান সর্বশেষ ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

নতুন কথা/এসআর