ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশ নিয়ে বিতর্ক, পরামর্শ দিচ্ছেন তারকারা মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ ফ্যামিলি কার্ডের মতো ‘কৃষক কার্ড’ পাইলট প্রকল্প চালু করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী দুই ম্যাচ জিতেও হতে পারে সেমিফাইনাল হার

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন প্রসিকিউশনের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মধ্য দিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বিচারিক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পাঠ করে শোনান। তিনি বলেন, এসব অভিযোগে মোট ১০৩ জনকে গুম ও হত্যার বিস্তারিত ও ভয়াবহ বর্ণনা রয়েছে। অভিযোগের পক্ষে ভিডিও প্রমাণও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। শুনানি শেষে মামলার একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করার আবেদন জানানো হয়। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জিয়াউল আহসানের বোন ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। তিনি প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ভিডিও প্রমাণ পর্যালোচনার জন্য তা সরবরাহের আবেদন জানান। প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে দাখিলের পর ভিডিওগুলো সরবরাহ করা হবে বলে জানায়। এ প্রেক্ষিতে সব নথি ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামির অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান নাজনীন নাহার। এ বিষয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। দুপুরের পর মামলার শুনানি শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরও আগে, ১৭ ডিসেম্বর আদালত তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়। একই দিন প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।

উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান সর্বশেষ ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

নতুন কথা/এসআর

 

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন প্রসিকিউশনের

আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মধ্য দিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বিচারিক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পাঠ করে শোনান। তিনি বলেন, এসব অভিযোগে মোট ১০৩ জনকে গুম ও হত্যার বিস্তারিত ও ভয়াবহ বর্ণনা রয়েছে। অভিযোগের পক্ষে ভিডিও প্রমাণও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। শুনানি শেষে মামলার একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করার আবেদন জানানো হয়। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জিয়াউল আহসানের বোন ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। তিনি প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ভিডিও প্রমাণ পর্যালোচনার জন্য তা সরবরাহের আবেদন জানান। প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে দাখিলের পর ভিডিওগুলো সরবরাহ করা হবে বলে জানায়। এ প্রেক্ষিতে সব নথি ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামির অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান নাজনীন নাহার। এ বিষয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। দুপুরের পর মামলার শুনানি শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরও আগে, ১৭ ডিসেম্বর আদালত তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়। একই দিন প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।

উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান সর্বশেষ ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

নতুন কথা/এসআর