ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ ফ্যামিলি কার্ডের মতো ‘কৃষক কার্ড’ পাইলট প্রকল্প চালু করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী দুই ম্যাচ জিতেও হতে পারে সেমিফাইনাল হার চিফ প্রসিকিউটর পদে আমিনুল ইসলাম, অপসারণ তাজুল ইসলামের নতুন বাংলাদেশের জন্য কাজ করছে বিএনপি সরকার : মির্জা ফখরুল হালিশহরে ভোরের গ্যাস বিস্ফোরণে শিশুসহ দগ্ধ ৭ চিফ প্রসিকিউটর পদে তাজুল ইসলামকে সরানোর গুঞ্জন, আলোচনায় আমিনুল ইসলাম জেন-জি নেতৃত্বে ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন অনেকটাই বোধগম্য হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এই বাণীতে তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির সেই ভয়াবহ ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ওই দিন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত সেনা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন, যা দেশের ইতিহাসে এক শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়নি; তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই বিশেষ দিনে জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ সেনাদের স্মরণ করছে এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানান তিনি।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া এখনও চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে তিনি মনে করেন, ঘটনার পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল এবং নাগরিকদের সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করা জরুরি। হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময় মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি স্বাধীন দেশের জন্য সশস্ত্র বাহিনী শুধু নিরাপত্তার প্রতীক নয়, বরং জাতির সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। তাই ভবিষ্যতে যেন আর কেউ বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে নতুন করে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এটাই হোক জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়।

এই দিবসটি প্রতি বছর জাতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়, পিলখানার সেই রক্তাক্ত ঘটনা শুধু অতীতের একটি ট্র্যাজেডি নয়; এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, ঐক্য ও সতর্কতার এক কঠিন শিক্ষা, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী

পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন অনেকটাই বোধগম্য হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এই বাণীতে তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির সেই ভয়াবহ ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ওই দিন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত সেনা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন, যা দেশের ইতিহাসে এক শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়নি; তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই বিশেষ দিনে জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ সেনাদের স্মরণ করছে এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানান তিনি।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া এখনও চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে তিনি মনে করেন, ঘটনার পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল এবং নাগরিকদের সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করা জরুরি। হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময় মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি স্বাধীন দেশের জন্য সশস্ত্র বাহিনী শুধু নিরাপত্তার প্রতীক নয়, বরং জাতির সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। তাই ভবিষ্যতে যেন আর কেউ বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে নতুন করে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এটাই হোক জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়।

এই দিবসটি প্রতি বছর জাতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়, পিলখানার সেই রক্তাক্ত ঘটনা শুধু অতীতের একটি ট্র্যাজেডি নয়; এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, ঐক্য ও সতর্কতার এক কঠিন শিক্ষা, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

নতুন কথা/এসআর