ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজধানীর যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনামূলক বৈঠক প্রধান বিরোধী দল জামায়াত পাচ্ছে ডেপুটি স্পিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জেরে পাকিস্তান দলে জরিমানার ঝড়, খেলোয়াড়প্রতি ৫০ লাখ রুপি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসবে না ইরান: নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানি কারচুপির অভিযোগে চার আসনের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা ৩ মার্চ থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু যুদ্ধের প্রভাব বাজারে, ভরিপ্রতি সোনা ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়াল কোন কৌশলে এগোতে পারে ইরান: বিশ্লেষকের চোখে সম্ভাব্য পাল্টা পরিকল্পনা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ

সাড়ে চারশ’ ছাড়িয়ে লঙ্কানদের রানের পাহাড়

কলম্বো টেস্টের প্রথম দিনে বল হাতে দাপট দেখিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তবে দ্বিতীয় দিন থেকেই ব্যাট হাতে ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকরা। পাথুম নিশাঙ্কার অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং দিনেশ চান্ডিমালের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে শ্রীলঙ্কা তৃতীয় দিন ৪৫৮ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দিয়েছে। ফলে লঙ্কানদের লিড দাঁড়িয়েছে ২১১ রানে।

দ্বিতীয় দিন সকালে লঙ্কানরা ব্যাট করতে নামলে উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৮ রান। লাহিরু উদারা ৪০ রানে বিদায় নিলেও অপর প্রান্তে পাথুম নিশাঙ্কা ছিলেন অবিচল। দিনেশ চান্ডিমালের সঙ্গে তার ১৯২ রানের জুটি বাংলাদেশের বিপক্ষে লঙ্কানদের একপ্রকার প্রাধান্যই নিশ্চিত করে দেয়।

চান্ডিমাল ৯৩ রান করে আউট হন, তার ইনিংসে ছিল ১০টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কার মার। অন্যদিকে, দ্বিতীয় দিন শেষে ১৪৬ রানে অপরাজিত থাকা নিশাঙ্কা তৃতীয় দিনের সকালে নিজের ইনিংস থামান ১৫৮ রানে। তাকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম।

তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্রুত তিনটি উইকেট তুলে কিছুটা স্বস্তি পায় বাংলাদেশ। নিশাঙ্কা ছাড়াও ফেরানো হয় নাইটওয়াচম্যান প্রবাথ জয়সুরিয়া এবং অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে। ডি সিলভা করেন ৭ রান।

কামিন্দু মেন্ডিসও ক্রিজে সেট হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ৩৩ রানে তাকে থামাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশের বোলাররা।

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটাররা হতাশ করেছেন। প্রথম দিন ২২০ রানে শেষ করা ইনিংস দ্বিতীয় দিন গিয়ে থামে ২৪৭ রানে। তাইজুল ইসলাম কিছুটা লড়াই করেন, খেলেন ৩৩ রানের ইনিংস।

তবে ব্যাটিং বিপর্যয়ই ছিল বাংলাদেশের বড় সমস্যা। মাত্র ৭৬ রানে হারায় চারটি উইকেট। শূন্য রানে আউট হন এনামুল হক বিজয়। মুমিনুল হক আউট হন ২১ রানে। সাদমান ইসলাম কিছুটা লড়াই করে ৪৬ রান করেন।

মুশফিকুর রহিম এবং লিটন দাস জুটি বাঁধলেও আত্মঘাতী শটে ভেঙে যায় তাদের ৬৭ রানের জুটি। লিটন ফেরেন ৩৪ রানে, মুশফিক ৩৫ রানে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ৩১ রান।

অন্যদিকে, লঙ্কান ব্যাটারদের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ২১১ রানের বড় লিড পেয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। টেস্টে টিকে থাকতে এখন বাংলাদেশের সামনে বিশাল চ্যালেঞ্জ।

 

নতুনকথা/এএস

রাজধানীর যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনামূলক বৈঠক

সাড়ে চারশ’ ছাড়িয়ে লঙ্কানদের রানের পাহাড়

আপডেট সময় ০৪:০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

কলম্বো টেস্টের প্রথম দিনে বল হাতে দাপট দেখিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তবে দ্বিতীয় দিন থেকেই ব্যাট হাতে ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকরা। পাথুম নিশাঙ্কার অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং দিনেশ চান্ডিমালের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে শ্রীলঙ্কা তৃতীয় দিন ৪৫৮ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দিয়েছে। ফলে লঙ্কানদের লিড দাঁড়িয়েছে ২১১ রানে।

দ্বিতীয় দিন সকালে লঙ্কানরা ব্যাট করতে নামলে উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৮ রান। লাহিরু উদারা ৪০ রানে বিদায় নিলেও অপর প্রান্তে পাথুম নিশাঙ্কা ছিলেন অবিচল। দিনেশ চান্ডিমালের সঙ্গে তার ১৯২ রানের জুটি বাংলাদেশের বিপক্ষে লঙ্কানদের একপ্রকার প্রাধান্যই নিশ্চিত করে দেয়।

চান্ডিমাল ৯৩ রান করে আউট হন, তার ইনিংসে ছিল ১০টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কার মার। অন্যদিকে, দ্বিতীয় দিন শেষে ১৪৬ রানে অপরাজিত থাকা নিশাঙ্কা তৃতীয় দিনের সকালে নিজের ইনিংস থামান ১৫৮ রানে। তাকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম।

তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্রুত তিনটি উইকেট তুলে কিছুটা স্বস্তি পায় বাংলাদেশ। নিশাঙ্কা ছাড়াও ফেরানো হয় নাইটওয়াচম্যান প্রবাথ জয়সুরিয়া এবং অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে। ডি সিলভা করেন ৭ রান।

কামিন্দু মেন্ডিসও ক্রিজে সেট হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ৩৩ রানে তাকে থামাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশের বোলাররা।

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটাররা হতাশ করেছেন। প্রথম দিন ২২০ রানে শেষ করা ইনিংস দ্বিতীয় দিন গিয়ে থামে ২৪৭ রানে। তাইজুল ইসলাম কিছুটা লড়াই করেন, খেলেন ৩৩ রানের ইনিংস।

তবে ব্যাটিং বিপর্যয়ই ছিল বাংলাদেশের বড় সমস্যা। মাত্র ৭৬ রানে হারায় চারটি উইকেট। শূন্য রানে আউট হন এনামুল হক বিজয়। মুমিনুল হক আউট হন ২১ রানে। সাদমান ইসলাম কিছুটা লড়াই করে ৪৬ রান করেন।

মুশফিকুর রহিম এবং লিটন দাস জুটি বাঁধলেও আত্মঘাতী শটে ভেঙে যায় তাদের ৬৭ রানের জুটি। লিটন ফেরেন ৩৪ রানে, মুশফিক ৩৫ রানে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ৩১ রান।

অন্যদিকে, লঙ্কান ব্যাটারদের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ২১১ রানের বড় লিড পেয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। টেস্টে টিকে থাকতে এখন বাংলাদেশের সামনে বিশাল চ্যালেঞ্জ।

 

নতুনকথা/এএস