ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জেরে পাকিস্তান দলে জরিমানার ঝড়, খেলোয়াড়প্রতি ৫০ লাখ রুপি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসবে না ইরান: নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানি কারচুপির অভিযোগে চার আসনের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা ৩ মার্চ থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু যুদ্ধের প্রভাব বাজারে, ভরিপ্রতি সোনা ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়াল কোন কৌশলে এগোতে পারে ইরান: বিশ্লেষকের চোখে সম্ভাব্য পাল্টা পরিকল্পনা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তৃতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক আজ, জুমার পর বিশেষ দোয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। শোক পালন উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রীয় শোকের শেষ দিন আজও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একইভাবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সকল কূটনৈতিক মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তিনি গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। ছেলে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাকে কবরে শায়িত করেন। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোকার্ত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ জানাজাকে অনেকেই দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও স্মরণীয় জানাজা হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

 

নতুন কথা/এসআর

 

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জেরে পাকিস্তান দলে জরিমানার ঝড়, খেলোয়াড়প্রতি ৫০ লাখ রুপি

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তৃতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক আজ, জুমার পর বিশেষ দোয়া

আপডেট সময় ০১:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। শোক পালন উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রীয় শোকের শেষ দিন আজও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একইভাবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সকল কূটনৈতিক মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তিনি গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। ছেলে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাকে কবরে শায়িত করেন। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোকার্ত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ জানাজাকে অনেকেই দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও স্মরণীয় জানাজা হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

 

নতুন কথা/এসআর