ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তৃতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক আজ, জুমার পর বিশেষ দোয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। শোক পালন উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রীয় শোকের শেষ দিন আজও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একইভাবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সকল কূটনৈতিক মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তিনি গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। ছেলে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাকে কবরে শায়িত করেন। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোকার্ত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ জানাজাকে অনেকেই দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও স্মরণীয় জানাজা হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

 

নতুন কথা/এসআর

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তৃতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক আজ, জুমার পর বিশেষ দোয়া

আপডেট সময় ০১:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। শোক পালন উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রীয় শোকের শেষ দিন আজও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একইভাবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সকল কূটনৈতিক মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তিনি গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। ছেলে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাকে কবরে শায়িত করেন। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোকার্ত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ জানাজাকে অনেকেই দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও স্মরণীয় জানাজা হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

 

নতুন কথা/এসআর