ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

সৌদি-তুরস্ক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে কৌশলগত স্বার্থে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৫২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব ও তুরস্ক-এর মধ্যে কূটনৈতিক ও কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা দ্রুত বাড়ছে। সম্প্রতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান-এর সৌদি সফর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আঞ্চলিক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা জোরদার করতে নির্ভরযোগ্য মিত্র খুঁজছেন। ইয়েমেন সংঘাত, গাজা পরিস্থিতি এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলের অস্থিরতা সৌদি পররাষ্ট্রনীতিকে আবার সক্রিয় করে তুলেছে। ফলে আঙ্কারার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো রিয়াদের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০১৮ সালে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই দূরত্ব কমতে শুরু করে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যও এই ঘনিষ্ঠতার অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌদি আরব তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে বহুমুখী উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করতে চায়। অন্যদিকে তুরস্ক উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত–সহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

এরদোয়ানের সফর শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে সোমালিয়া-র ভৌগোলিক অখণ্ডতা, গাজায় শান্তি, সুদান–এর স্থিতিশীলতা এবং সিরিয়া ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার কথা জানানো হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সমন্বয় ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও অংশীদারত্বের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে পারস্পরিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির ওপর।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সৌদি-তুরস্ক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে কৌশলগত স্বার্থে

আপডেট সময় ০২:৫২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব ও তুরস্ক-এর মধ্যে কূটনৈতিক ও কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা দ্রুত বাড়ছে। সম্প্রতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান-এর সৌদি সফর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আঞ্চলিক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা জোরদার করতে নির্ভরযোগ্য মিত্র খুঁজছেন। ইয়েমেন সংঘাত, গাজা পরিস্থিতি এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলের অস্থিরতা সৌদি পররাষ্ট্রনীতিকে আবার সক্রিয় করে তুলেছে। ফলে আঙ্কারার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো রিয়াদের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০১৮ সালে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই দূরত্ব কমতে শুরু করে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যও এই ঘনিষ্ঠতার অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌদি আরব তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে বহুমুখী উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করতে চায়। অন্যদিকে তুরস্ক উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত–সহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

এরদোয়ানের সফর শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে সোমালিয়া-র ভৌগোলিক অখণ্ডতা, গাজায় শান্তি, সুদান–এর স্থিতিশীলতা এবং সিরিয়া ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার কথা জানানো হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সমন্বয় ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও অংশীদারত্বের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে পারস্পরিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির ওপর।

নতুন কথা/এসআর