ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

এলপি গ্যাসে ভ্যাট ও আগাম কর কমানোর সুপারিশ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা পর্যায়ে সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট এবং আগাম কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এনবিআর চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়। শিল্পখাত ও গৃহস্থালি, উভয় ক্ষেত্রেই এলপি গ্যাসের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকুচিত হওয়া এবং দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এলপি গ্যাসের ওপর চাপ বেড়ে যায়।

চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ফলে বাজারে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। এ অবস্থায় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস ছাড়া সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রণালয় প্রস্তাব করেছে, এলপি গ্যাস আমদানিতে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে তা ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা হোক। একই সঙ্গে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট এবং আগাম কর (এডভান্স ট্যাক্স) সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এলপিজি আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছিল। পরবর্তীতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভায় এই সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।

এদিকে, একই দিনে এলপি গ্যাস আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ সুবিধা ও এলসি খোলার আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছেও পৃথক চিঠি পাঠিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের মতে, কর ও ব্যাংকিং জটিলতা দূর করা গেলে এলপি গ্যাসের আমদানি ও সরবরাহ বাড়বে, সংকট কমবে এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।

নতুন কথা/এসআর

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

এলপি গ্যাসে ভ্যাট ও আগাম কর কমানোর সুপারিশ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের

আপডেট সময় ০৪:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা পর্যায়ে সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট এবং আগাম কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এনবিআর চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়। শিল্পখাত ও গৃহস্থালি, উভয় ক্ষেত্রেই এলপি গ্যাসের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকুচিত হওয়া এবং দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এলপি গ্যাসের ওপর চাপ বেড়ে যায়।

চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ফলে বাজারে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। এ অবস্থায় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস ছাড়া সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রণালয় প্রস্তাব করেছে, এলপি গ্যাস আমদানিতে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে তা ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা হোক। একই সঙ্গে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট এবং আগাম কর (এডভান্স ট্যাক্স) সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এলপিজি আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছিল। পরবর্তীতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভায় এই সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।

এদিকে, একই দিনে এলপি গ্যাস আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ সুবিধা ও এলসি খোলার আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছেও পৃথক চিঠি পাঠিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের মতে, কর ও ব্যাংকিং জটিলতা দূর করা গেলে এলপি গ্যাসের আমদানি ও সরবরাহ বাড়বে, সংকট কমবে এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।

নতুন কথা/এসআর