ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার: সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা : সালাহউদ্দিন আহমদ সবোজলাইয়ের নায়ক-খলনায়ক রাতেও বার্নসলিকে উড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে লিভারপুল জীবনদর্শনের দূরত্বেই ফাটল: যে কারণে টেকেনি তাহসান-রোজার সংসার শিক্ষা শুধু চাকরির কারখানা নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার পথ: প্রধান উপদেষ্টা

সীমানা নির্ধারণে আদালতের হস্তক্ষেপ, অনিশ্চয়তায় ভোটের মাঠ

তপশিল ঘোষণার পরও সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে উচ্চ আদালতে একের পর এক রিট নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের এখতিয়ার এককভাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। অথচ এবারের নির্বাচনে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই আদালতের একাধিক আদেশ ভোট আয়োজনকে জটিল করে তুলেছে।

নির্বাচন কমিশন এবার ৪৬টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছিল। এর মধ্যে ১৪টি আসন নিয়ে হাইকোর্ট ইতোমধ্যে বিভিন্ন আদেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে। এ দুটি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেট স্থগিত হওয়ায় ওই আসনগুলোর ভোট কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধান ও আইনে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ স্পষ্টভাবে রহিত করা হয়েছে। তবু সর্বোচ্চ আদালত তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে কোনো বিষয় শুনতে পারেন- এটি অস্বীকার করা যায় না। তবে যে বিষয়ে সংবিধান সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দিয়েছে, সেখানে আদালতের হস্তক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে।

অতীতেও সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আদালতে রিট হয়েছিল। কিন্তু তখন আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন হলে নির্বাচনের ধারাবাহিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

গত জুলাইয়ে নির্বাচন কমিশন ৩৯টি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে। আপত্তি ওঠায় আগস্টে আপিল শুনানি নেয় ইসি। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করা হয়, যাতে মোট ৪৬টি আসনের সীমানায় পরিবর্তন আসে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হয় গাজীপুর ও বাগেরহাট জেলায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে গাজীপুরের আসন সংখ্যা পাঁচ থেকে বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়। বিপরীতে বাগেরহাটে আসন চার থেকে কমিয়ে তিনটি নির্ধারণ করা হয়। এসব সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে করা রিটে হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন কমিশন গাজীপুরে পাঁচটি এবং বাগেরহাটে চারটি আসন পুনর্বহাল রেখে ১১ ডিসেম্বর সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে।

এরপর তপশিল ঘোষণার দিনই ফরিদপুর-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত ভাঙ্গা উপজেলার একটি ইউনিয়ন পরিষদকে ফরিদপুর-২ আসনে যুক্ত করার গেজেট স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পাবনা-১, পাবনা-২, কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেটও স্থগিত করা হয়।

পরবর্তীতে কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২ আসনের বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার জজ স্থগিত করলেও রংপুর, বরগুনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি আসন নিয়ে করা রিট এখনও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

সংবিধানের ১১৯(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ নির্বাচন কমিশনের অন্যতম দায়িত্ব। ১২৪ অনুচ্ছেদেও একই কথা বলা হয়েছে- সংসদের প্রণীত আইন অনুযায়ী ইসি সীমানা নির্ধারণ করবে।

আরও স্পষ্ট করে সংবিধানের ১২৫(ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ বা আসন বণ্টনের বৈধতা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না। একই বিধান রয়েছে সীমানা নির্ধারণ আইন-২০২১-এর ৭ ধারায়।

এই আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, প্রশাসনিক সুবিধা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জনসংখ্যার ভারসাম্য বিবেচনায় ইসি সীমানা নির্ধারণ করবে। আর অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকলে তা সংশোধনের ক্ষমতাও কমিশনের হাতেই ন্যস্ত।

সংবিধানের ১২৫(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তপশিল ঘোষণার পর নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত ইসিকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো আদেশ দিতে পারবেন না। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, আদালতের শুনানি গ্রহণের অধিকার থাকলেও এমন কোনো আদেশ দেওয়া কাম্য নয়, যা নির্বাচনকে সরাসরি বাধাগ্রস্ত করে।

তার ভাষায়, “সীমানা পুনর্নির্ধারণের মতো বিষয়ে ইসিকে শুনানিতে সম্পৃক্ত করেই আদেশ দেওয়া উচিত।”

কুমিল্লা-১ ও ২ আসনের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের রায় আপাতত স্থগিত থাকায় সেখানে নতুন করে তপশিল ঘোষণার প্রয়োজন পড়ছে না। তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচন স্থগিত থাকায় সেখানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

প্রায় সব প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ। জামায়াত, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একে ভোটাধিকার হরণের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ এটিকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, নির্বাচনের ঠিক আগে কোনো আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেট বাতিল বা স্থগিত হলে শুধু ওই আসন নয়, আশপাশের সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর নির্বাচনও ঝুলে যেতে পারে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সংবিধান ও আইনের স্পষ্ট নির্দেশনার পরও যদি সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতের আদেশে নির্বাচন বারবার স্থগিত হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে- এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন কথা/এসআর

ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার

সীমানা নির্ধারণে আদালতের হস্তক্ষেপ, অনিশ্চয়তায় ভোটের মাঠ

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

তপশিল ঘোষণার পরও সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে উচ্চ আদালতে একের পর এক রিট নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের এখতিয়ার এককভাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। অথচ এবারের নির্বাচনে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই আদালতের একাধিক আদেশ ভোট আয়োজনকে জটিল করে তুলেছে।

নির্বাচন কমিশন এবার ৪৬টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছিল। এর মধ্যে ১৪টি আসন নিয়ে হাইকোর্ট ইতোমধ্যে বিভিন্ন আদেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে। এ দুটি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেট স্থগিত হওয়ায় ওই আসনগুলোর ভোট কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধান ও আইনে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ স্পষ্টভাবে রহিত করা হয়েছে। তবু সর্বোচ্চ আদালত তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে কোনো বিষয় শুনতে পারেন- এটি অস্বীকার করা যায় না। তবে যে বিষয়ে সংবিধান সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দিয়েছে, সেখানে আদালতের হস্তক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে।

অতীতেও সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আদালতে রিট হয়েছিল। কিন্তু তখন আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন হলে নির্বাচনের ধারাবাহিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

গত জুলাইয়ে নির্বাচন কমিশন ৩৯টি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে। আপত্তি ওঠায় আগস্টে আপিল শুনানি নেয় ইসি। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করা হয়, যাতে মোট ৪৬টি আসনের সীমানায় পরিবর্তন আসে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হয় গাজীপুর ও বাগেরহাট জেলায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে গাজীপুরের আসন সংখ্যা পাঁচ থেকে বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়। বিপরীতে বাগেরহাটে আসন চার থেকে কমিয়ে তিনটি নির্ধারণ করা হয়। এসব সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে করা রিটে হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন কমিশন গাজীপুরে পাঁচটি এবং বাগেরহাটে চারটি আসন পুনর্বহাল রেখে ১১ ডিসেম্বর সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে।

এরপর তপশিল ঘোষণার দিনই ফরিদপুর-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত ভাঙ্গা উপজেলার একটি ইউনিয়ন পরিষদকে ফরিদপুর-২ আসনে যুক্ত করার গেজেট স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পাবনা-১, পাবনা-২, কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেটও স্থগিত করা হয়।

পরবর্তীতে কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২ আসনের বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার জজ স্থগিত করলেও রংপুর, বরগুনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি আসন নিয়ে করা রিট এখনও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

সংবিধানের ১১৯(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ নির্বাচন কমিশনের অন্যতম দায়িত্ব। ১২৪ অনুচ্ছেদেও একই কথা বলা হয়েছে- সংসদের প্রণীত আইন অনুযায়ী ইসি সীমানা নির্ধারণ করবে।

আরও স্পষ্ট করে সংবিধানের ১২৫(ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ বা আসন বণ্টনের বৈধতা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না। একই বিধান রয়েছে সীমানা নির্ধারণ আইন-২০২১-এর ৭ ধারায়।

এই আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, প্রশাসনিক সুবিধা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জনসংখ্যার ভারসাম্য বিবেচনায় ইসি সীমানা নির্ধারণ করবে। আর অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকলে তা সংশোধনের ক্ষমতাও কমিশনের হাতেই ন্যস্ত।

সংবিধানের ১২৫(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তপশিল ঘোষণার পর নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত ইসিকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো আদেশ দিতে পারবেন না। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, আদালতের শুনানি গ্রহণের অধিকার থাকলেও এমন কোনো আদেশ দেওয়া কাম্য নয়, যা নির্বাচনকে সরাসরি বাধাগ্রস্ত করে।

তার ভাষায়, “সীমানা পুনর্নির্ধারণের মতো বিষয়ে ইসিকে শুনানিতে সম্পৃক্ত করেই আদেশ দেওয়া উচিত।”

কুমিল্লা-১ ও ২ আসনের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের রায় আপাতত স্থগিত থাকায় সেখানে নতুন করে তপশিল ঘোষণার প্রয়োজন পড়ছে না। তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচন স্থগিত থাকায় সেখানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

প্রায় সব প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ। জামায়াত, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একে ভোটাধিকার হরণের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ এটিকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, নির্বাচনের ঠিক আগে কোনো আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের গেজেট বাতিল বা স্থগিত হলে শুধু ওই আসন নয়, আশপাশের সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর নির্বাচনও ঝুলে যেতে পারে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সংবিধান ও আইনের স্পষ্ট নির্দেশনার পরও যদি সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতের আদেশে নির্বাচন বারবার স্থগিত হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে- এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন কথা/এসআর