ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা ধানুশ ও বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুরকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শোবিজ অঙ্গনে গুঞ্জন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেই- ১৪ ফেব্রুয়ারি- বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন এই আলোচিত জুটি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের একাধিক সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, ধানুশ ও ম্রুণাল ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতেই নাকি হবে অনুষ্ঠান। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ধানুশ কিংবা ম্রুণাল- কারও পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কিছুদিন ধরেই এই দুজনের সম্পর্ক নিয়ে জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। একাধিকবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও। আলোচনার সূত্রপাত ঘটে ম্রুণাল ঠাকুরের জন্মদিনের একটি পার্টি থেকে, যেখানে ধানুশের উপস্থিতি নজর কাড়ে। ওই অনুষ্ঠানে দুজনকে হাত ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা যায়। সেই মুহূর্তের ভিডিও দ্রুতই ভাইরাল হয়।
এরপর ম্রুণাল অভিনীত ‘সন অব সরদার টু’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতেও ধানুশের উপস্থিতি এবং দুজনের ঘনিষ্ঠ আচরণ নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। একে অন্যকে জড়িয়ে ধরার দৃশ্য দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে- তারা কি কেবল বন্ধু, নাকি সম্পর্কের গভীরতা আরও বেশি?
এই গুঞ্জনের মধ্যেই গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে একবার মুখ খোলেন ম্রুণাল ঠাকুর। সে সময় তিনি জানান, ধানুশ তাঁর ভালো বন্ধু ছাড়া আর কিছু নন। তবে প্রেমের গুঞ্জন অস্বীকার করলেও সাম্প্রতিক বিয়ের আলোচনায় অভিনেত্রী এখনো নীরব।
উল্লেখযোগ্য যে, তামিল সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্তের বড় মেয়ে ঐশ্বরিয়া রজনীকান্তের সঙ্গে ধানুশের দাম্পত্য জীবন ছিল দীর্ঘ ১৮ বছরের। ২০০৪ সালের ১৮ নভেম্বর তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই সন্তান- যাত্রা ও লিঙ্গা। ২০২২ সালের শুরুতে তারা আলাদা হওয়ার ঘোষণা দেন। ভাঙা সংসার জোড়া লাগাতে পরিবার ও আদালতের পক্ষ থেকে একাধিকবার চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর আদালত তাদের বিচ্ছেদের আবেদন গ্রহণ করেন।
এমন প্রেক্ষাপটে ধানুশ ও ম্রুণাল ঠাকুরকে ঘিরে বিয়ের এই গুঞ্জন সত্যি কি না, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছেই। এখন অপেক্ষা শুধু তারকাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।
নতুন কথা/এসআর
বিনোদন ডেস্ক: 

























