ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

প্রধান নির্বাচক পদে প্রস্তাব পেলেন হাবিবুল বাশার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক পদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনি প্রস্তাব গ্রহণ করলে প্রথমবারের মতো প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় দলের হয়ে ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে খেলা ‘মিস্টার ফিফটি’ খ্যাত এই সাবেক ব্যাটার বর্তমানে বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ গেম ডেভেলপমেন্টের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত। এর আগে নারী উইংয়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রথমবার নির্বাচক প্যানেলে জায়গা পান বাশার। এরপর টানা প্রায় আট বছর প্যানেলের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং তার আগে দায়িত্বে ছিলেন ফারুক আহমেদ। নির্বাচক হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় তাকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে বোর্ড।

বর্তমান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু দায়িত্বে আর থাকতে আগ্রহী নন বলে বোর্ডকে জানিয়েছেন। তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসেই। বিসিবি তাকে অন্তত আরও দুই থেকে তিন মাস দায়িত্ব চালিয়ে যেতে অনুরোধ করেছে এবং স্বল্প সময়ের জন্য তিনি রাজিও হয়েছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে নতুন চুক্তি নবায়নের সম্ভাবনা নেই।

লিপুর নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেলে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক ও হান্নান সরকার। কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করার লক্ষ্যে হান্নান প্যানেল থেকে সরে দাঁড়ান। পরে তার জায়গায় যুক্ত হন হাসিবুল হোসেন শান্ত। অন্যদিকে রাজ্জাক বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির কারণে নির্বাচক প্যানেল ছাড়েন।

২০২৪ সালে নান্নুর জায়গায় প্রধান নির্বাচক করা হয় লিপুকে। তখনই আগের প্যানেলের সদস্যদের পরিবর্তন আনা হয়। নতুন করে কাঠামো সাজানোর অংশ হিসেবে এবার বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নির্বাচক প্যানেলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। বাশার প্রস্তাব গ্রহণ করলে জাতীয় দলের নির্বাচনী নীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

প্রধান নির্বাচক পদে প্রস্তাব পেলেন হাবিবুল বাশার

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক পদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনি প্রস্তাব গ্রহণ করলে প্রথমবারের মতো প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় দলের হয়ে ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে খেলা ‘মিস্টার ফিফটি’ খ্যাত এই সাবেক ব্যাটার বর্তমানে বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ গেম ডেভেলপমেন্টের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত। এর আগে নারী উইংয়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রথমবার নির্বাচক প্যানেলে জায়গা পান বাশার। এরপর টানা প্রায় আট বছর প্যানেলের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং তার আগে দায়িত্বে ছিলেন ফারুক আহমেদ। নির্বাচক হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় তাকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে বোর্ড।

বর্তমান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু দায়িত্বে আর থাকতে আগ্রহী নন বলে বোর্ডকে জানিয়েছেন। তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসেই। বিসিবি তাকে অন্তত আরও দুই থেকে তিন মাস দায়িত্ব চালিয়ে যেতে অনুরোধ করেছে এবং স্বল্প সময়ের জন্য তিনি রাজিও হয়েছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে নতুন চুক্তি নবায়নের সম্ভাবনা নেই।

লিপুর নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেলে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক ও হান্নান সরকার। কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করার লক্ষ্যে হান্নান প্যানেল থেকে সরে দাঁড়ান। পরে তার জায়গায় যুক্ত হন হাসিবুল হোসেন শান্ত। অন্যদিকে রাজ্জাক বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির কারণে নির্বাচক প্যানেল ছাড়েন।

২০২৪ সালে নান্নুর জায়গায় প্রধান নির্বাচক করা হয় লিপুকে। তখনই আগের প্যানেলের সদস্যদের পরিবর্তন আনা হয়। নতুন করে কাঠামো সাজানোর অংশ হিসেবে এবার বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নির্বাচক প্যানেলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। বাশার প্রস্তাব গ্রহণ করলে জাতীয় দলের নির্বাচনী নীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন কথা/এসআর