ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না দিলে বিসিবি পরিচালক পদ হারাতে পারেন নাজমুল বিয়ের পিঁড়িতে ধানুশ-ম্রুণাল, গুঞ্জন নাকি সত্যি? পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মুরগির বাজারে স্বস্তি নেই উত্তরায় আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত বেড়ে পাঁচ ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

বাংলাদেশ-এআইআইবি ৪০ কোটি ডলারের চুক্তি সই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফুটেজ

বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বড় এক অগ্রগতি ঘটলো। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)-এর সঙ্গে ৪০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম – সাবপ্রোগ্রাম ২’ বাস্তবায়নের জন্য এই অর্থ বাজেট সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

গতকাল সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ERD) সম্মেলনকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মিরানা মাহরুখ এবং AIIB-এর পক্ষে রজত মিশ্র চুক্তিতে সই করেন। রজত মিশ্র বর্তমানে ব্যাংকটির পাবলিক সেক্টর (রিজিয়ন ১) ও ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস অ্যান্ড ফান্ডস (গ্লোবাল) ক্লায়েন্টস বিভাগের পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা।

চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে তিনটি মূল লক্ষ্যে:

  1. সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু-অগ্রাধিকারভিত্তিক নীতিমালা বাস্তবায়নের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা,

  2. অভিযোজনমূলক কার্যক্রম জোরদার করা,

  3. এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন নীতির বাস্তব প্রয়োগ ত্বরান্বিত করা।

 

এই কর্মসূচিকে সরকারের জাতীয় পরিকল্পনায় জলবায়ু সংবেদনশীলতা একীভূতকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঋণটির শর্ত অনুযায়ী, এটি ৩৫ বছর মেয়াদি, যার মধ্যে প্রথম ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ড। সুদের হার নির্ধারিত হবে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট (SOFR) ভিত্তিক এবং একটি পরিবর্তনশীল স্প্রেড প্রযোজ্য হবে। ফ্রন্ট-এন্ড ফি ধরা হয়েছে ০.২৫ শতাংশ, যা AIIB-এর প্রচলিত শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত।

চুক্তিতে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সচেতন সংস্কার নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করবে।

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না দিলে বিসিবি পরিচালক পদ হারাতে পারেন নাজমুল

বাংলাদেশ-এআইআইবি ৪০ কোটি ডলারের চুক্তি সই

আপডেট সময় ১০:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বড় এক অগ্রগতি ঘটলো। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)-এর সঙ্গে ৪০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম – সাবপ্রোগ্রাম ২’ বাস্তবায়নের জন্য এই অর্থ বাজেট সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

গতকাল সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ERD) সম্মেলনকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মিরানা মাহরুখ এবং AIIB-এর পক্ষে রজত মিশ্র চুক্তিতে সই করেন। রজত মিশ্র বর্তমানে ব্যাংকটির পাবলিক সেক্টর (রিজিয়ন ১) ও ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস অ্যান্ড ফান্ডস (গ্লোবাল) ক্লায়েন্টস বিভাগের পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা।

চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে তিনটি মূল লক্ষ্যে:

  1. সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু-অগ্রাধিকারভিত্তিক নীতিমালা বাস্তবায়নের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা,

  2. অভিযোজনমূলক কার্যক্রম জোরদার করা,

  3. এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন নীতির বাস্তব প্রয়োগ ত্বরান্বিত করা।

 

এই কর্মসূচিকে সরকারের জাতীয় পরিকল্পনায় জলবায়ু সংবেদনশীলতা একীভূতকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঋণটির শর্ত অনুযায়ী, এটি ৩৫ বছর মেয়াদি, যার মধ্যে প্রথম ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ড। সুদের হার নির্ধারিত হবে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট (SOFR) ভিত্তিক এবং একটি পরিবর্তনশীল স্প্রেড প্রযোজ্য হবে। ফ্রন্ট-এন্ড ফি ধরা হয়েছে ০.২৫ শতাংশ, যা AIIB-এর প্রচলিত শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত।

চুক্তিতে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সচেতন সংস্কার নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করবে।