ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

বাংলাদেশ-এআইআইবি ৪০ কোটি ডলারের চুক্তি সই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফুটেজ

বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বড় এক অগ্রগতি ঘটলো। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)-এর সঙ্গে ৪০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম – সাবপ্রোগ্রাম ২’ বাস্তবায়নের জন্য এই অর্থ বাজেট সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

গতকাল সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ERD) সম্মেলনকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মিরানা মাহরুখ এবং AIIB-এর পক্ষে রজত মিশ্র চুক্তিতে সই করেন। রজত মিশ্র বর্তমানে ব্যাংকটির পাবলিক সেক্টর (রিজিয়ন ১) ও ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস অ্যান্ড ফান্ডস (গ্লোবাল) ক্লায়েন্টস বিভাগের পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা।

চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে তিনটি মূল লক্ষ্যে:

  1. সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু-অগ্রাধিকারভিত্তিক নীতিমালা বাস্তবায়নের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা,

  2. অভিযোজনমূলক কার্যক্রম জোরদার করা,

  3. এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন নীতির বাস্তব প্রয়োগ ত্বরান্বিত করা।

 

এই কর্মসূচিকে সরকারের জাতীয় পরিকল্পনায় জলবায়ু সংবেদনশীলতা একীভূতকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঋণটির শর্ত অনুযায়ী, এটি ৩৫ বছর মেয়াদি, যার মধ্যে প্রথম ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ড। সুদের হার নির্ধারিত হবে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট (SOFR) ভিত্তিক এবং একটি পরিবর্তনশীল স্প্রেড প্রযোজ্য হবে। ফ্রন্ট-এন্ড ফি ধরা হয়েছে ০.২৫ শতাংশ, যা AIIB-এর প্রচলিত শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত।

চুক্তিতে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সচেতন সংস্কার নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশ-এআইআইবি ৪০ কোটি ডলারের চুক্তি সই

আপডেট সময় ১০:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বড় এক অগ্রগতি ঘটলো। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)-এর সঙ্গে ৪০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম – সাবপ্রোগ্রাম ২’ বাস্তবায়নের জন্য এই অর্থ বাজেট সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

গতকাল সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ERD) সম্মেলনকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মিরানা মাহরুখ এবং AIIB-এর পক্ষে রজত মিশ্র চুক্তিতে সই করেন। রজত মিশ্র বর্তমানে ব্যাংকটির পাবলিক সেক্টর (রিজিয়ন ১) ও ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস অ্যান্ড ফান্ডস (গ্লোবাল) ক্লায়েন্টস বিভাগের পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা।

চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে তিনটি মূল লক্ষ্যে:

  1. সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু-অগ্রাধিকারভিত্তিক নীতিমালা বাস্তবায়নের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা,

  2. অভিযোজনমূলক কার্যক্রম জোরদার করা,

  3. এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন নীতির বাস্তব প্রয়োগ ত্বরান্বিত করা।

 

এই কর্মসূচিকে সরকারের জাতীয় পরিকল্পনায় জলবায়ু সংবেদনশীলতা একীভূতকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঋণটির শর্ত অনুযায়ী, এটি ৩৫ বছর মেয়াদি, যার মধ্যে প্রথম ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ড। সুদের হার নির্ধারিত হবে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট (SOFR) ভিত্তিক এবং একটি পরিবর্তনশীল স্প্রেড প্রযোজ্য হবে। ফ্রন্ট-এন্ড ফি ধরা হয়েছে ০.২৫ শতাংশ, যা AIIB-এর প্রচলিত শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত।

চুক্তিতে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সচেতন সংস্কার নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করবে।