ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, ২৪৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত একদিনে

ডেঙ্গুর বিস্তার যেন থামছেই না। দেশের হাসপাতালগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ২৪৯ জন নতুন রোগী। একই সময়ে মারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া ২৪৯ জন রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে বরিশাল বিভাগে- ১৩৪ জন। চট্টগ্রামে ৩৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৩৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৮ জন এবং সিটি কর্পোরেশনের বাইরের ঢাকা জেলায় ৯ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এছাড়াও, খুলনায় ৮ জন, রাজশাহীতে ৫ জন, ময়মনসিংহে ৭ জন, রংপুরে ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২২২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে মোট ৫ হাজার ২৯৯ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫ হাজার ৯৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জন।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, আর মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩-এ পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ—সেই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন, আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বারবার সতর্ক করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে হলে কেবল হাসপাতাল নির্ভরতা নয়, সমন্বিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিতভাবে পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখা, সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর পদক্ষেপই পারে এই বিপর্যয় ঠেকাতে।

 

নতুন কথা/এএস

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, ২৪৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত একদিনে

আপডেট সময় ১২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ডেঙ্গুর বিস্তার যেন থামছেই না। দেশের হাসপাতালগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ২৪৯ জন নতুন রোগী। একই সময়ে মারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া ২৪৯ জন রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে বরিশাল বিভাগে- ১৩৪ জন। চট্টগ্রামে ৩৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৩৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৮ জন এবং সিটি কর্পোরেশনের বাইরের ঢাকা জেলায় ৯ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এছাড়াও, খুলনায় ৮ জন, রাজশাহীতে ৫ জন, ময়মনসিংহে ৭ জন, রংপুরে ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২২২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে মোট ৫ হাজার ২৯৯ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫ হাজার ৯৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জন।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, আর মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩-এ পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ—সেই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন, আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বারবার সতর্ক করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে হলে কেবল হাসপাতাল নির্ভরতা নয়, সমন্বিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিতভাবে পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখা, সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর পদক্ষেপই পারে এই বিপর্যয় ঠেকাতে।

 

নতুন কথা/এএস