ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জেরে পাকিস্তান দলে জরিমানার ঝড়, খেলোয়াড়প্রতি ৫০ লাখ রুপি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসবে না ইরান: নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানি কারচুপির অভিযোগে চার আসনের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা ৩ মার্চ থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু যুদ্ধের প্রভাব বাজারে, ভরিপ্রতি সোনা ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়াল কোন কৌশলে এগোতে পারে ইরান: বিশ্লেষকের চোখে সম্ভাব্য পাল্টা পরিকল্পনা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা নামতেই শীতের দাপট বেড়েছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ফের জেঁকে বসেছে শীত। টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর শনিবার সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রোববার আবার কমে গেছে পারদ। সঙ্গে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা ও ঘন কুয়াশা, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পুরো তেঁতুলিয়া এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে থাকে। কুয়াশার কারণে সড়ক, মাঠ ও জনপথে দৃষ্টিসীমা নেমে আসে অতি কম পর্যায়ে। এ সময় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে।

ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। চাকলাহাট এলাকার দিনমজুর সোনা মিয়া বলেন,“গত দুই দিন ধরে ভোরে ঠান্ডা খুব বেশি। কাজে বের হলে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। ঠিকমতো কাজ করাই কষ্টকর হয়ে গেছে।”

একই অভিজ্ঞতার কথা জানান স্থানীয় ভ্যানচালক জরিফুল। তিনি বলেন, “ভোরবেলা ঘন কুয়াশার কারণে সামনে কিছুই দেখা যায় না। ধীরে ভ্যান চালাতে হয়, যাত্রীও কমে গেছে।”

ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে চলাচলকারী ট্রাকচালক বাবুল হোসেন জানান, কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। তিনি বলেন,“হেডলাইট জ্বালিয়েও সামনে ঠিকভাবে দেখা যায় না। তাই খুব সাবধানে ও ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।”

এর আগের দিন শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। সেদিন কুয়াশা না থাকলেও সকাল ১০টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর্দ্রতা বেশি থাকায় তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি হলেও শীতের অনুভূতি কমেনি।

চলতি শীত মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। সেদিন পারদ নেমে আসে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, ১১ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। শনিবার তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রোববার তা আবার কমে এসেছে। তিনি বলেন,“আর্দ্রতা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি তীব্র হচ্ছে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।”

নতুন কথা/এসআর

 

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জেরে পাকিস্তান দলে জরিমানার ঝড়, খেলোয়াড়প্রতি ৫০ লাখ রুপি

ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা নামতেই শীতের দাপট বেড়েছে

আপডেট সময় ১১:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ফের জেঁকে বসেছে শীত। টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর শনিবার সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রোববার আবার কমে গেছে পারদ। সঙ্গে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা ও ঘন কুয়াশা, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পুরো তেঁতুলিয়া এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে থাকে। কুয়াশার কারণে সড়ক, মাঠ ও জনপথে দৃষ্টিসীমা নেমে আসে অতি কম পর্যায়ে। এ সময় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে।

ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। চাকলাহাট এলাকার দিনমজুর সোনা মিয়া বলেন,“গত দুই দিন ধরে ভোরে ঠান্ডা খুব বেশি। কাজে বের হলে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। ঠিকমতো কাজ করাই কষ্টকর হয়ে গেছে।”

একই অভিজ্ঞতার কথা জানান স্থানীয় ভ্যানচালক জরিফুল। তিনি বলেন, “ভোরবেলা ঘন কুয়াশার কারণে সামনে কিছুই দেখা যায় না। ধীরে ভ্যান চালাতে হয়, যাত্রীও কমে গেছে।”

ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে চলাচলকারী ট্রাকচালক বাবুল হোসেন জানান, কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। তিনি বলেন,“হেডলাইট জ্বালিয়েও সামনে ঠিকভাবে দেখা যায় না। তাই খুব সাবধানে ও ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।”

এর আগের দিন শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। সেদিন কুয়াশা না থাকলেও সকাল ১০টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর্দ্রতা বেশি থাকায় তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি হলেও শীতের অনুভূতি কমেনি।

চলতি শীত মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। সেদিন পারদ নেমে আসে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, ১১ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। শনিবার তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রোববার তা আবার কমে এসেছে। তিনি বলেন,“আর্দ্রতা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি তীব্র হচ্ছে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।”

নতুন কথা/এসআর