সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকাদের লক্ষ্য করে অপপ্রচার, ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের প্রবণতা দিন দিন উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। এতদিন এসব নিয়ে নীরব থাকলেও এবার প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ঝাড়লেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। সম্প্রতি রাজধানীর একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি ট্রল ও বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেন এবং প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন। বিশেষ করে নারীদের দ্বারাই নারীদের আক্রমণের বিষয়টি তাকে সবচেয়ে বেশি ব্যথিত করেছে বলে জানান এই অভিনেত্রী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বুবলী বলেন, ইদানীং লক্ষ্য করছেন- মেয়েরাই মেয়েদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি ট্রল করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এমনকি হিজাব পরা কিছু নারীও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে গুজবভিত্তিক ভিডিও তৈরি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বুবলীর ভাষায়, “এটা শুধু একজন মানুষকে হেয় করা নয়, বরং আমাদের ধর্মকেও অবমাননা করা। ইসলামে গীবতকে সবচেয়ে জঘন্য কাজগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে নীরব থাকার পর অনেক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী তাকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, চুপ থাকার কারণেই সাইবার বুলিংয়ের মাত্রা আরও বেড়ে যাচ্ছে। তাই বিষয়টি আর অবহেলা না করে দেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুবলী। তিনি বলেন, “আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। দেশের সেবা করতে হলে রাজনীতিতেই থাকতে হবে- এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে কোনো পেশা থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বুবলীর নাচের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তার ‘বেবি বাম্প’ ও পুনরায় মা হওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ও নেতিবাচক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, সেই অপপ্রচার ও ব্যক্তিগত আক্রমণের প্রেক্ষিতেই এবার প্রকাশ্যে এসে কঠোর অবস্থান নিলেন এই চিত্রনায়িকা।
নতুন কথা/এসআর
বিনোদন ডেস্ক: 
















