ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশ নিয়ে বিতর্ক, পরামর্শ দিচ্ছেন তারকারা মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ ফ্যামিলি কার্ডের মতো ‘কৃষক কার্ড’ পাইলট প্রকল্প চালু করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী দুই ম্যাচ জিতেও হতে পারে সেমিফাইনাল হার
বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার

বোরো আবাদে ভূগর্ভস্থ পানিস্তরের অবনমন হয় না : গবেষণা

  • আলা উদ্দিন
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

Caption Caption Caption Caption Caption

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া

বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার

বোরো আবাদে ভূগর্ভস্থ পানিস্তরের অবনমন হয় না : গবেষণা

আপডেট সময় ১১:৩৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে। গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার। অথচ ধারণা করা হয় এক কেজি বোরো ধান উৎপাদনে প্রায় ৩০০০-৫০০০ লিটার সেচের পানি লাগে।