ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষ হলেও স্বস্তি ফেরেনি নিত্যপণ্যের বাজারে। বিশেষ করে মাছের বাজারে এখনো ঊর্ধ্বমুখী দাম, ২০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো মাছ। এতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ক্রেতারা।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের পর কিছু পণ্যের দাম সামান্য কমলেও তা এখনো ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে আসেনি।

বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। একইভাবে সোনালি মুরগির দামও কিছুটা কমে কেজিতে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ টাকা। তবে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি ৮০০ টাকা।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। এছাড়া দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও প্রজাতিভেদে চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, “ব্রয়লারের দাম কিছুটা কমেছে, এখন ১৯৫ টাকা। তবে সোনালি মুরগি আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে ব্রয়লারই কিনতে হচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা শফিকুল আলম বলেন, “ঈদের সময় ২২০ টাকা দিয়ে ব্রয়লার কিনেছি। এখন কিছুটা কমেছে, তবে আরও কমলে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি আসবে।”

রায়েরবাজারের ক্রেতা বজলুর রহমান বলেন, “ঈদের আগে চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম ঈদের পর দাম কমবে। কিন্তু বাজার এখনো আগের মতোই চড়া।”

অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, মাছের দাম কিছুটা কমেছে। রায়েরবাজারের মাছ ব্যবসায়ী সৌরভ আহমেদ জানান, “গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমেছে। তবে মাছের বাজারে এমন ওঠানামা স্বাভাবিক।”

সার্বিকভাবে বাজারে কিছুটা স্থিতি এলেও দাম এখনো সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে রয়ে গেছে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার

আপডেট সময় ১২:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষ হলেও স্বস্তি ফেরেনি নিত্যপণ্যের বাজারে। বিশেষ করে মাছের বাজারে এখনো ঊর্ধ্বমুখী দাম, ২০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো মাছ। এতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ক্রেতারা।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের পর কিছু পণ্যের দাম সামান্য কমলেও তা এখনো ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে আসেনি।

বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। একইভাবে সোনালি মুরগির দামও কিছুটা কমে কেজিতে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ টাকা। তবে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি ৮০০ টাকা।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। এছাড়া দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও প্রজাতিভেদে চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, “ব্রয়লারের দাম কিছুটা কমেছে, এখন ১৯৫ টাকা। তবে সোনালি মুরগি আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে ব্রয়লারই কিনতে হচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা শফিকুল আলম বলেন, “ঈদের সময় ২২০ টাকা দিয়ে ব্রয়লার কিনেছি। এখন কিছুটা কমেছে, তবে আরও কমলে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি আসবে।”

রায়েরবাজারের ক্রেতা বজলুর রহমান বলেন, “ঈদের আগে চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম ঈদের পর দাম কমবে। কিন্তু বাজার এখনো আগের মতোই চড়া।”

অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, মাছের দাম কিছুটা কমেছে। রায়েরবাজারের মাছ ব্যবসায়ী সৌরভ আহমেদ জানান, “গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমেছে। তবে মাছের বাজারে এমন ওঠানামা স্বাভাবিক।”

সার্বিকভাবে বাজারে কিছুটা স্থিতি এলেও দাম এখনো সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে রয়ে গেছে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

নতুন কথা/এসআর