ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইফতারে রাখুন এই ৫ মৌসুমি ফল, রোজার শেষে পাবেন স্বস্তি ও পুষ্টি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ সময় না খেয়ে রোজা শেষে ইফতারে মৌসুমি ফল খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার দিয়ে শরীরকে হঠাৎ চাপ দিলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। তাই ইফতারে প্রথমে রাখুন সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর মৌসুমি ফল।

দেশের বাজারে গ্রীষ্মের আগাম ফলের আগমন শুরু হয়েছে। এই সময়ের কিছু ফল ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারের টেবিলে এক বাটি মৌসুমি ফল রাখলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা তিনই একসঙ্গে।

১. তরমুজ

প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ তরমুজ শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে। এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১-২ টুকরো তরমুজই শরীরকে সতেজ ও উদ্দীপক রাখে।

২. কলা

কলা সহজলভ্য এবং শক্তিদায়ক। এতে থাকা উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমায়। একটি মাঝারি আকারের কলা ইফতারে তাৎক্ষণিক শক্তি যোগ করে।

৩. পেঁপে

হজমে সহায়ক পেঁপে হালকা এবং সহজপাচ্য। দীর্ঘ সময় না খাওয়ার পর পেটের জন্য আরামদায়ক। এছাড়াও এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কার্যকর।

৪. আনারস

ভিটামিন সি এবং ব্রোমেলিন এনজাইম সমৃদ্ধ আনারস হজমে সহায়ক। তবে যারা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন, তাদের পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

৫. ডাবের পানি ও মাল্টা

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে, যা দীর্ঘ রোজার পর শরীরকে পুনর্হাইড্রেট করে। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, ইফতারে প্রথমে এই ফলগুলো রাখলে শরীর দ্রুত সতেজ হবে, হজম সহজ হবে এবং রোজার পর স্বাভাবিক শক্তি ফিরবে।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধান নির্বাচক পদে প্রস্তাব পেলেন হাবিবুল বাশার

ইফতারে রাখুন এই ৫ মৌসুমি ফল, রোজার শেষে পাবেন স্বস্তি ও পুষ্টি

আপডেট সময় ০১:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ সময় না খেয়ে রোজা শেষে ইফতারে মৌসুমি ফল খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার দিয়ে শরীরকে হঠাৎ চাপ দিলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। তাই ইফতারে প্রথমে রাখুন সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর মৌসুমি ফল।

দেশের বাজারে গ্রীষ্মের আগাম ফলের আগমন শুরু হয়েছে। এই সময়ের কিছু ফল ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারের টেবিলে এক বাটি মৌসুমি ফল রাখলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা তিনই একসঙ্গে।

১. তরমুজ

প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ তরমুজ শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে। এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১-২ টুকরো তরমুজই শরীরকে সতেজ ও উদ্দীপক রাখে।

২. কলা

কলা সহজলভ্য এবং শক্তিদায়ক। এতে থাকা উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমায়। একটি মাঝারি আকারের কলা ইফতারে তাৎক্ষণিক শক্তি যোগ করে।

৩. পেঁপে

হজমে সহায়ক পেঁপে হালকা এবং সহজপাচ্য। দীর্ঘ সময় না খাওয়ার পর পেটের জন্য আরামদায়ক। এছাড়াও এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কার্যকর।

৪. আনারস

ভিটামিন সি এবং ব্রোমেলিন এনজাইম সমৃদ্ধ আনারস হজমে সহায়ক। তবে যারা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন, তাদের পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

৫. ডাবের পানি ও মাল্টা

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে, যা দীর্ঘ রোজার পর শরীরকে পুনর্হাইড্রেট করে। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, ইফতারে প্রথমে এই ফলগুলো রাখলে শরীর দ্রুত সতেজ হবে, হজম সহজ হবে এবং রোজার পর স্বাভাবিক শক্তি ফিরবে।

নতুন কথা/এসআর