ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

অতিরিক্ত চুল পড়ছে? ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায়ে পেতে পারেন কার্যকর সমাধান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:২২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিংবা অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। আবার কারও ক্ষেত্রে ঋতু পরিবর্তন, মানসিক চাপ, পুষ্টিহীনতা বা হরমোনজনিত কারণেও অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। চুল পড়া বন্ধ করতে অনেকে নানা ধরনের ওষুধ বা কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যবহার করেন, যা অনেক সময় উল্টো ক্ষতির কারণ হয়। অথচ কিছু সহজ প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায় নিয়মিত মেনে চললে চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি নতুন চুল গজানোও সম্ভব।

চুলের যত্নে কার্যকর এমন কয়েকটি প্রাকৃতিক সমাধান তুলে ধরা হলো-

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অত্যন্ত কার্যকর। এটি স্ক্যাল্প পরিষ্কার করে, খুশকি দূর করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে। এক কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে শ্যাম্পুর পর শেষ ধোয়া হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে ১–২ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজে থাকা সালফার উপাদান রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের ফলিকল সক্রিয় করে। মাথার ত্বকে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

মেথি
মেথিতে রয়েছে প্রোটিন ও নিকোটিনিক অ্যাসিড, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক। সারারাত ভিজিয়ে রাখা মেথি বেটে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তালু ও চুলে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করলে চুল শক্ত ও ঘন হবে।

ডিম ও অলিভ অয়েল
ডিমে থাকা প্রোটিন, বায়োটিন ও ভিটামিন চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুটি ডিমের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথায় লাগান। আধা ঘণ্টা পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল মজবুত হবে এবং ভাঙা কমবে।

অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা মাথার ত্বক ঠান্ডা রাখে, খুশকি দূর করে এবং চুলের গোড়া পুষ্টি জোগায়। তাজা অ্যালোভেরার জেল বা রস সরাসরি তালুতে লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে এবং চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে।

নারকেলের দুধ
নারকেলের দুধে রয়েছে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন, যা চুলের গোড়া শক্ত করে। নারকেলের দুধের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে ৪–৫ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলে চুল পড়া অনেকটাই কমে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঘরোয়া উপায়ের পাশাপাশি সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, মানসিক চাপ কমানো এবং নিয়মিত ঘুম চুলের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। নিয়ম মেনে প্রাকৃতিক উপায়ে যত্ন নিলে চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

অতিরিক্ত চুল পড়ছে? ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায়ে পেতে পারেন কার্যকর সমাধান

আপডেট সময় ০৭:২২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিংবা অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। আবার কারও ক্ষেত্রে ঋতু পরিবর্তন, মানসিক চাপ, পুষ্টিহীনতা বা হরমোনজনিত কারণেও অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। চুল পড়া বন্ধ করতে অনেকে নানা ধরনের ওষুধ বা কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যবহার করেন, যা অনেক সময় উল্টো ক্ষতির কারণ হয়। অথচ কিছু সহজ প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায় নিয়মিত মেনে চললে চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি নতুন চুল গজানোও সম্ভব।

চুলের যত্নে কার্যকর এমন কয়েকটি প্রাকৃতিক সমাধান তুলে ধরা হলো-

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অত্যন্ত কার্যকর। এটি স্ক্যাল্প পরিষ্কার করে, খুশকি দূর করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে। এক কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে শ্যাম্পুর পর শেষ ধোয়া হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে ১–২ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজে থাকা সালফার উপাদান রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের ফলিকল সক্রিয় করে। মাথার ত্বকে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

মেথি
মেথিতে রয়েছে প্রোটিন ও নিকোটিনিক অ্যাসিড, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক। সারারাত ভিজিয়ে রাখা মেথি বেটে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তালু ও চুলে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করলে চুল শক্ত ও ঘন হবে।

ডিম ও অলিভ অয়েল
ডিমে থাকা প্রোটিন, বায়োটিন ও ভিটামিন চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুটি ডিমের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথায় লাগান। আধা ঘণ্টা পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল মজবুত হবে এবং ভাঙা কমবে।

অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা মাথার ত্বক ঠান্ডা রাখে, খুশকি দূর করে এবং চুলের গোড়া পুষ্টি জোগায়। তাজা অ্যালোভেরার জেল বা রস সরাসরি তালুতে লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে এবং চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে।

নারকেলের দুধ
নারকেলের দুধে রয়েছে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন, যা চুলের গোড়া শক্ত করে। নারকেলের দুধের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে ৪–৫ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলে চুল পড়া অনেকটাই কমে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঘরোয়া উপায়ের পাশাপাশি সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, মানসিক চাপ কমানো এবং নিয়মিত ঘুম চুলের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। নিয়ম মেনে প্রাকৃতিক উপায়ে যত্ন নিলে চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

নতুন কথা/এসআর