ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার: সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা : সালাহউদ্দিন আহমদ সবোজলাইয়ের নায়ক-খলনায়ক রাতেও বার্নসলিকে উড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে লিভারপুল জীবনদর্শনের দূরত্বেই ফাটল: যে কারণে টেকেনি তাহসান-রোজার সংসার শিক্ষা শুধু চাকরির কারখানা নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার পথ: প্রধান উপদেষ্টা

ভালুকায় শ্রমিক দিপু হত্যাকাণ্ডে আরও দুইজন গ্রেপ্তার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের পর শনিবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন আশিক (২৫) ও কাইয়ুম (২৫)। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত দিপু চন্দ্র দাস (২৭) ভালুকার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেডের একজন শ্রমিক ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দিপুকে গণপিটুনির মাধ্যমে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর উত্তেজিত শ্রমিক ও স্থানীয় জনতা তার মরদেহ মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে এবং পরে লাশে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

এ ঘটনায় ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস মামলার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করেন।

মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, ধারণকৃত ভিডিও এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার রাতে তিনজন এবং শনিবার রাতে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উস্কে দেন এবং মব তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রাথমিক তদন্তে তারা হত্যাকাণ্ড সংঘটন এবং মরদেহ ঝুলিয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নতুন কথা/এসআর

 

ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার

ভালুকায় শ্রমিক দিপু হত্যাকাণ্ডে আরও দুইজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের পর শনিবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন আশিক (২৫) ও কাইয়ুম (২৫)। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত দিপু চন্দ্র দাস (২৭) ভালুকার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেডের একজন শ্রমিক ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দিপুকে গণপিটুনির মাধ্যমে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর উত্তেজিত শ্রমিক ও স্থানীয় জনতা তার মরদেহ মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে এবং পরে লাশে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

এ ঘটনায় ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস মামলার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করেন।

মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, ধারণকৃত ভিডিও এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার রাতে তিনজন এবং শনিবার রাতে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উস্কে দেন এবং মব তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রাথমিক তদন্তে তারা হত্যাকাণ্ড সংঘটন এবং মরদেহ ঝুলিয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নতুন কথা/এসআর