ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

ভালুকায় শ্রমিক দিপু হত্যাকাণ্ডে আরও দুইজন গ্রেপ্তার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের পর শনিবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন আশিক (২৫) ও কাইয়ুম (২৫)। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত দিপু চন্দ্র দাস (২৭) ভালুকার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেডের একজন শ্রমিক ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দিপুকে গণপিটুনির মাধ্যমে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর উত্তেজিত শ্রমিক ও স্থানীয় জনতা তার মরদেহ মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে এবং পরে লাশে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

এ ঘটনায় ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস মামলার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করেন।

মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, ধারণকৃত ভিডিও এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার রাতে তিনজন এবং শনিবার রাতে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উস্কে দেন এবং মব তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রাথমিক তদন্তে তারা হত্যাকাণ্ড সংঘটন এবং মরদেহ ঝুলিয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নতুন কথা/এসআর

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভালুকায় শ্রমিক দিপু হত্যাকাণ্ডে আরও দুইজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের পর শনিবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন আশিক (২৫) ও কাইয়ুম (২৫)। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত দিপু চন্দ্র দাস (২৭) ভালুকার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেডের একজন শ্রমিক ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দিপুকে গণপিটুনির মাধ্যমে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর উত্তেজিত শ্রমিক ও স্থানীয় জনতা তার মরদেহ মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে এবং পরে লাশে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

এ ঘটনায় ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস মামলার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করেন।

মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, ধারণকৃত ভিডিও এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার রাতে তিনজন এবং শনিবার রাতে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উস্কে দেন এবং মব তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রাথমিক তদন্তে তারা হত্যাকাণ্ড সংঘটন এবং মরদেহ ঝুলিয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নতুন কথা/এসআর