ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩ মার্চ থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু যুদ্ধের প্রভাব বাজারে, ভরিপ্রতি সোনা ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়াল কোন কৌশলে এগোতে পারে ইরান: বিশ্লেষকের চোখে সম্ভাব্য পাল্টা পরিকল্পনা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশ নিয়ে বিতর্ক, পরামর্শ দিচ্ছেন তারকারা মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী

বড় জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু রংপুর রাইডার্সের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

এক দিনের বিরতি শেষে বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রংপুর রাইডার্স। বল ও ব্যাট, দুই বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রংপুর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার পেসে আউট হন বিদেশি ওপেনার অ্যাডাম রোসিনটন (১)। এরপর কোটি টাকা দামের ওপেনার নাঈম শেখ ও তিন নম্বরে নামা মির্জা বেগ ৪৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নাঈম শেখ ছিলেন চট্টগ্রামের একমাত্র উজ্জ্বল দিক। তিনি ২০ বলে ৩৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। তবে নাঈম আউট হতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে চট্টগ্রামের। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৭৬ রানে সপ্তম উইকেট এবং শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

রংপুরের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পাকিস্তানি পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন। নাহিদ রানা শুরুতে আঘাত হানেন, আর মুস্তাফিজুর রহমান মাঝের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রংপুর। দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান ১২.১ ওভারে ৯১ রানের দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেন। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসে। এরপর দ্রুত ফিরেন তাওহীদ হৃদয়।

ডেভিড মালান ছিলেন পুরোপুরি নির্ভার। তিনি ৪৮ বলে ৫১ রান করে জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত হাতে ৩০ বল রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।

বল ও ব্যাটে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিল রংপুর রাইডার্স।

নতুন কথা/এসআর

 

৩ মার্চ থেকে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

বড় জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু রংপুর রাইডার্সের

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

এক দিনের বিরতি শেষে বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রংপুর রাইডার্স। বল ও ব্যাট, দুই বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রংপুর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার পেসে আউট হন বিদেশি ওপেনার অ্যাডাম রোসিনটন (১)। এরপর কোটি টাকা দামের ওপেনার নাঈম শেখ ও তিন নম্বরে নামা মির্জা বেগ ৪৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নাঈম শেখ ছিলেন চট্টগ্রামের একমাত্র উজ্জ্বল দিক। তিনি ২০ বলে ৩৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। তবে নাঈম আউট হতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে চট্টগ্রামের। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৭৬ রানে সপ্তম উইকেট এবং শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

রংপুরের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পাকিস্তানি পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন। নাহিদ রানা শুরুতে আঘাত হানেন, আর মুস্তাফিজুর রহমান মাঝের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রংপুর। দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান ১২.১ ওভারে ৯১ রানের দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেন। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসে। এরপর দ্রুত ফিরেন তাওহীদ হৃদয়।

ডেভিড মালান ছিলেন পুরোপুরি নির্ভার। তিনি ৪৮ বলে ৫১ রান করে জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত হাতে ৩০ বল রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।

বল ও ব্যাটে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিল রংপুর রাইডার্স।

নতুন কথা/এসআর