ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বড় জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু রংপুর রাইডার্সের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

এক দিনের বিরতি শেষে বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রংপুর রাইডার্স। বল ও ব্যাট, দুই বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রংপুর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার পেসে আউট হন বিদেশি ওপেনার অ্যাডাম রোসিনটন (১)। এরপর কোটি টাকা দামের ওপেনার নাঈম শেখ ও তিন নম্বরে নামা মির্জা বেগ ৪৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নাঈম শেখ ছিলেন চট্টগ্রামের একমাত্র উজ্জ্বল দিক। তিনি ২০ বলে ৩৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। তবে নাঈম আউট হতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে চট্টগ্রামের। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৭৬ রানে সপ্তম উইকেট এবং শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

রংপুরের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পাকিস্তানি পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন। নাহিদ রানা শুরুতে আঘাত হানেন, আর মুস্তাফিজুর রহমান মাঝের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রংপুর। দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান ১২.১ ওভারে ৯১ রানের দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেন। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসে। এরপর দ্রুত ফিরেন তাওহীদ হৃদয়।

ডেভিড মালান ছিলেন পুরোপুরি নির্ভার। তিনি ৪৮ বলে ৫১ রান করে জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত হাতে ৩০ বল রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।

বল ও ব্যাটে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিল রংপুর রাইডার্স।

নতুন কথা/এসআর

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

বড় জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু রংপুর রাইডার্সের

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

এক দিনের বিরতি শেষে বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রংপুর রাইডার্স। বল ও ব্যাট, দুই বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রংপুর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার পেসে আউট হন বিদেশি ওপেনার অ্যাডাম রোসিনটন (১)। এরপর কোটি টাকা দামের ওপেনার নাঈম শেখ ও তিন নম্বরে নামা মির্জা বেগ ৪৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নাঈম শেখ ছিলেন চট্টগ্রামের একমাত্র উজ্জ্বল দিক। তিনি ২০ বলে ৩৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। তবে নাঈম আউট হতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে চট্টগ্রামের। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৭৬ রানে সপ্তম উইকেট এবং শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

রংপুরের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পাকিস্তানি পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন। নাহিদ রানা শুরুতে আঘাত হানেন, আর মুস্তাফিজুর রহমান মাঝের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রংপুর। দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান ১২.১ ওভারে ৯১ রানের দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেন। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসে। এরপর দ্রুত ফিরেন তাওহীদ হৃদয়।

ডেভিড মালান ছিলেন পুরোপুরি নির্ভার। তিনি ৪৮ বলে ৫১ রান করে জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত হাতে ৩০ বল রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।

বল ও ব্যাটে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিল রংপুর রাইডার্স।

নতুন কথা/এসআর