ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার: সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা : সালাহউদ্দিন আহমদ সবোজলাইয়ের নায়ক-খলনায়ক রাতেও বার্নসলিকে উড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে লিভারপুল জীবনদর্শনের দূরত্বেই ফাটল: যে কারণে টেকেনি তাহসান-রোজার সংসার শিক্ষা শুধু চাকরির কারখানা নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার পথ: প্রধান উপদেষ্টা

বড় জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু রংপুর রাইডার্সের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

এক দিনের বিরতি শেষে বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রংপুর রাইডার্স। বল ও ব্যাট, দুই বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রংপুর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার পেসে আউট হন বিদেশি ওপেনার অ্যাডাম রোসিনটন (১)। এরপর কোটি টাকা দামের ওপেনার নাঈম শেখ ও তিন নম্বরে নামা মির্জা বেগ ৪৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নাঈম শেখ ছিলেন চট্টগ্রামের একমাত্র উজ্জ্বল দিক। তিনি ২০ বলে ৩৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। তবে নাঈম আউট হতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে চট্টগ্রামের। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৭৬ রানে সপ্তম উইকেট এবং শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

রংপুরের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পাকিস্তানি পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন। নাহিদ রানা শুরুতে আঘাত হানেন, আর মুস্তাফিজুর রহমান মাঝের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রংপুর। দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান ১২.১ ওভারে ৯১ রানের দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেন। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসে। এরপর দ্রুত ফিরেন তাওহীদ হৃদয়।

ডেভিড মালান ছিলেন পুরোপুরি নির্ভার। তিনি ৪৮ বলে ৫১ রান করে জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত হাতে ৩০ বল রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।

বল ও ব্যাটে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিল রংপুর রাইডার্স।

নতুন কথা/এসআর

 

ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার

বড় জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু রংপুর রাইডার্সের

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

এক দিনের বিরতি শেষে বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রংপুর রাইডার্স। বল ও ব্যাট, দুই বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রংপুর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার পেসে আউট হন বিদেশি ওপেনার অ্যাডাম রোসিনটন (১)। এরপর কোটি টাকা দামের ওপেনার নাঈম শেখ ও তিন নম্বরে নামা মির্জা বেগ ৪৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

নাঈম শেখ ছিলেন চট্টগ্রামের একমাত্র উজ্জ্বল দিক। তিনি ২০ বলে ৩৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। তবে নাঈম আউট হতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে চট্টগ্রামের। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয়ে পড়ে। ৭৬ রানে সপ্তম উইকেট এবং শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

রংপুরের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পাকিস্তানি পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন। নাহিদ রানা শুরুতে আঘাত হানেন, আর মুস্তাফিজুর রহমান মাঝের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রংপুর। দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান ১২.১ ওভারে ৯১ রানের দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেন। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসে। এরপর দ্রুত ফিরেন তাওহীদ হৃদয়।

ডেভিড মালান ছিলেন পুরোপুরি নির্ভার। তিনি ৪৮ বলে ৫১ রান করে জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত হাতে ৩০ বল রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।

বল ও ব্যাটে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিল রংপুর রাইডার্স।

নতুন কথা/এসআর