ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার বিচার শুরু আজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ যুব ও ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মামলাটি বিচারপর্বে প্রবেশ করবে। একই দিনে প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, বাংলাদেশ যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে, সাত আসামির কেউই বর্তমানে গ্রেপ্তার নেই; তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চলবে।

গত ২২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় এবং আজকের দিন সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য করে। এর আগে ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানি শেষ হয় এবং ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। আরও আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই–আগস্ট আন্দোলন দমনে অভিযুক্তরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে সহিংস প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য।

আইনজ্ঞদের মতে, আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হলেও সাক্ষ্য প্রমাণ যাচাই ও উপস্থাপনের প্রতিটি ধাপ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করাই হবে বিচারপ্রক্রিয়ার মূল চ্যালেঞ্জ।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার বিচার শুরু আজ

আপডেট সময় ০৮:১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ যুব ও ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মামলাটি বিচারপর্বে প্রবেশ করবে। একই দিনে প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, বাংলাদেশ যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে, সাত আসামির কেউই বর্তমানে গ্রেপ্তার নেই; তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চলবে।

গত ২২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় এবং আজকের দিন সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য করে। এর আগে ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানি শেষ হয় এবং ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। আরও আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই–আগস্ট আন্দোলন দমনে অভিযুক্তরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে সহিংস প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য।

আইনজ্ঞদের মতে, আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হলেও সাক্ষ্য প্রমাণ যাচাই ও উপস্থাপনের প্রতিটি ধাপ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করাই হবে বিচারপ্রক্রিয়ার মূল চ্যালেঞ্জ।

নতুন কথা/এসআর