ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার কাউন্সিল রিভিউতে উত্তীর্ণ ১৯১৪ জন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পক্ষে খোলা চিঠি শুধু ফাইনাল নয়, ইংল্যান্ডের ভবিষ্যতও নির্ভর করছে এই ম্যাচে স্বাধীনতা পুরস্কার দর্শকদের উৎসর্গ করলেন হানিফ সংকেত দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার ৪৮তম বিসিএস নিয়ে জরুরি নির্দেশনা যুদ্ধ কতদিন চলবে, তা নিয়ে আমরা ভাবছি না: ইরানি জেনারেল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি বাড়ল একদিন ইবিতে শিক্ষিকা খুন, অভিযুক্ত কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, যাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর) এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও যারা পুরস্কার পাচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)। এছাড়া জনপ্রশাসনে পি এইচ ডি কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। স্বাধীনতা দিবস (বাংলাদেশ) উপলক্ষে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

প্রথা অনুযায়ী স্বাধীনতা দিবসের আগে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে এই পদক তুলে দেন।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার কাউন্সিল রিভিউতে উত্তীর্ণ ১৯১৪ জন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পক্ষে খোলা চিঠি

খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, যাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর) এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও যারা পুরস্কার পাচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)। এছাড়া জনপ্রশাসনে পি এইচ ডি কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। স্বাধীনতা দিবস (বাংলাদেশ) উপলক্ষে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

প্রথা অনুযায়ী স্বাধীনতা দিবসের আগে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে এই পদক তুলে দেন।

নতুন কথা/এসআর