ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: ইরানে হামলা, পাল্টা আঘাতে কাঁপল চার দেশ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশ নিয়ে বিতর্ক, পরামর্শ দিচ্ছেন তারকারা মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট বললেন প্রধানমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ ফ্যামিলি কার্ডের মতো ‘কৃষক কার্ড’ পাইলট প্রকল্প চালু করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী দুই ম্যাচ জিতেও হতে পারে সেমিফাইনাল হার

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

আমেরিকার পতাকা

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যুর খবর, পরিবারে শোকের ছায়া

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।