ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদুল আজহায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ নিহত, আহত অন্তত ১০ ঈদুল আজহা: ত্যাগের চেতনায় মানবতার পুনর্জাগরণ ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ‘নতুন কথা’র সম্পাদক মাজেদা রহমান শারমিন জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত আত্মত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা নজরুল জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিষ্পাপ মুখগুলোর নীরব আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

আমেরিকার পতাকা

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।