ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

উজবেকিস্তানের কাছে হারের পর যা বললেন মনিকা চাকমা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

এশিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ড্রেসিংরুমে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। পার্থের র‌্যাকটেঙ্গুলার স্টেডিয়াম থেকে একে একে বের হচ্ছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা, আফিদা খন্দকারসহ দলের ফুটবলাররা। কারও মুখে হাসি নেই, চুপচাপ গোমরা মুখে সবাই টিম বাসের দিকে হাঁটছিলেন। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া সাংবাদিকরা খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও বেশিরভাগই তা এড়িয়ে যান। তবে মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মঞ্চে খেলেছে বাংলাদেশ নারী দল। তবে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে মোট ১১ গোল হজম করে কোনো গোল না করেই শেষ হয়েছে তাদের এশিয়ান কাপ অভিযান। তবুও এই আসরকে শেখার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন মনিকা।

তিনি বলেন, “আমরা এখানে অনেক কিছু শিখেছি। উত্তর কোরিয়া ও চীনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলেছি, যারা র‌্যাংকিংয়ে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছি।”

এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টে কাজে লাগাতে চান বলেও জানান তিনি। মনিকার ভাষায়, “এই ম্যাচগুলো থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা অবশ্যই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট। আমরা এখানে যা শিখেছি, তা সামনের টুর্নামেন্টগুলোতে কাজে লাগাতে পারব।”

তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের কাছ থেকে আরও ভালো লড়াইয়ের প্রত্যাশা ছিল। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে উজবেকিস্তান ৪৯ নম্বরে থাকলেও বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, এমন আশা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে দলকে, যা স্বাভাবিকভাবেই হতাশাজনক।

ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে মনিকা বলেন, “আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং যেভাবে খেলার কথা ছিল, সেভাবেই খেলার চেষ্টা করেছি।”

যদিও ম্যাচে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে বেশ কিছু ভুল পাস ও ডিফেন্সিভ ভুল দেখা গেছে। এ বিষয়ে মনিকা বলেন, “এটা খেলায় স্বাভাবিক বিষয়। সব খেলোয়াড়েরই দুই-একটা মিস পাস হতে পারে। এটা বড় কিছু না। আমরা এই ভুলগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।”

বড় স্বপ্ন নিয়ে শুরু করা এশিয়ান কাপ শেষ হলো বাংলাদেশের কোনো গোল না করেই। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মধ্যে তাড়াহুড়োর ছাপও ছিল চোখে পড়ার মতো। সবাই যেন দ্রুত স্টেডিয়াম ছেড়ে টিম হোটেলে ফিরতে চান, এমনই এক আবহের মধ্যেই শেষ হয় বাংলাদেশের এবারের এশিয়ান কাপ অধ্যায়।

নতুন কথা/এসআর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

উজবেকিস্তানের কাছে হারের পর যা বললেন মনিকা চাকমা

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

এশিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ড্রেসিংরুমে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। পার্থের র‌্যাকটেঙ্গুলার স্টেডিয়াম থেকে একে একে বের হচ্ছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা, আফিদা খন্দকারসহ দলের ফুটবলাররা। কারও মুখে হাসি নেই, চুপচাপ গোমরা মুখে সবাই টিম বাসের দিকে হাঁটছিলেন। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া সাংবাদিকরা খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও বেশিরভাগই তা এড়িয়ে যান। তবে মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মঞ্চে খেলেছে বাংলাদেশ নারী দল। তবে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে মোট ১১ গোল হজম করে কোনো গোল না করেই শেষ হয়েছে তাদের এশিয়ান কাপ অভিযান। তবুও এই আসরকে শেখার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন মনিকা।

তিনি বলেন, “আমরা এখানে অনেক কিছু শিখেছি। উত্তর কোরিয়া ও চীনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলেছি, যারা র‌্যাংকিংয়ে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছি।”

এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টে কাজে লাগাতে চান বলেও জানান তিনি। মনিকার ভাষায়, “এই ম্যাচগুলো থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা অবশ্যই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট। আমরা এখানে যা শিখেছি, তা সামনের টুর্নামেন্টগুলোতে কাজে লাগাতে পারব।”

তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের কাছ থেকে আরও ভালো লড়াইয়ের প্রত্যাশা ছিল। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে উজবেকিস্তান ৪৯ নম্বরে থাকলেও বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, এমন আশা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে দলকে, যা স্বাভাবিকভাবেই হতাশাজনক।

ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে মনিকা বলেন, “আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং যেভাবে খেলার কথা ছিল, সেভাবেই খেলার চেষ্টা করেছি।”

যদিও ম্যাচে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে বেশ কিছু ভুল পাস ও ডিফেন্সিভ ভুল দেখা গেছে। এ বিষয়ে মনিকা বলেন, “এটা খেলায় স্বাভাবিক বিষয়। সব খেলোয়াড়েরই দুই-একটা মিস পাস হতে পারে। এটা বড় কিছু না। আমরা এই ভুলগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।”

বড় স্বপ্ন নিয়ে শুরু করা এশিয়ান কাপ শেষ হলো বাংলাদেশের কোনো গোল না করেই। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মধ্যে তাড়াহুড়োর ছাপও ছিল চোখে পড়ার মতো। সবাই যেন দ্রুত স্টেডিয়াম ছেড়ে টিম হোটেলে ফিরতে চান, এমনই এক আবহের মধ্যেই শেষ হয় বাংলাদেশের এবারের এশিয়ান কাপ অধ্যায়।

নতুন কথা/এসআর