ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল গণভোট বাতিলের সঙ্গে জুলাই সনদের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউস-পেন্টাগন দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সংকটের আভাস কুষ্টিয়ায় ১৮ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হামের উপসর্গে উদ্বেগ বাড়ছে একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হরমুজ অঞ্চলে উত্তেজনা জনবল সংকটে অচল আইসিইউ, রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে সংকট, চাপের মুখে রামেক শ্রীলঙ্কার কাছে অপ্রত্যাশিত হার, কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ হকি দল কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে আট মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ, ঈদের পরও চাপে নিত্যপণ্যের বাজার হাজারীবাগে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

আমেরিকার পতাকা

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কাছেও হার, বিদায়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ নারী দল

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।