ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার ত্বকের বলিরেখা কমাতে যেসব প্রাকৃতিক তেল হতে পারে ভরসা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অবস্থানে অটল বিসিবি ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভে নিহত প্রায় ২ হাজার মানুষ: সরকারি কর্মকর্তা বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার: সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা : সালাহউদ্দিন আহমদ সবোজলাইয়ের নায়ক-খলনায়ক রাতেও বার্নসলিকে উড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে লিভারপুল জীবনদর্শনের দূরত্বেই ফাটল: যে কারণে টেকেনি তাহসান-রোজার সংসার শিক্ষা শুধু চাকরির কারখানা নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার পথ: প্রধান উপদেষ্টা

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

আমেরিকার পতাকা

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।

ঢাকায় নিজ বাসা থেকে জামায়াত নেতার মরদেহ উদ্ধার

আমেরিকা কেন সাম্রাজ্যবাদী?

আপডেট সময় ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদী’ চরিত্র বোঝা যায় নিচের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দিয়ে:

 

১) সামরিক হস্তক্ষেপ: ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া—বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক আগ্রাসন।

২) নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি: আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও ডলার আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

৩) রাজনৈতিক প্রভাব: অন্য দেশের সরকার পতনে (যেমন চিলি, ইরান, ইউক্রেন) গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’।

৪) সাংস্কৃতিক আধিপত্য: হলিউড, ফাস্ট ফুড, ইংরেজি ভাষা—গ্লোবাল সংস্কৃতিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।

৫) নিও-কলোনিয়াল নীতি: স্বাধীন দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদ, সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

 

আমি সাম্রাজ্যবাদের ‘রাজনৈতিক অর্থনীতি’ জটিল আলোচনায় আর গেলাম না, যা সাম্রাজ্যবাদ বোঝার মার্ক্সবাদী অবস্থান। খোলা চোখেই সাম্রাজ্যবাদ কি তা বোঝা যায়, কোন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ছাড়াই। যখন কেউ ভারত, চীন, রাশিয়া বা অন্যকোন দেশের সাথে আমেরিকার তুলনা করেন, তাদের চিন্তার বিভ্রান্তি দুর হবে বলে আশাকরি।

 

আজিজুর রহমান আসাদ।